নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় হল সুপারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রফিকুল ইসলাম:বরিশালে হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্রে ২০১৮ সালের সিলেবাসে (বহুনির্বাচনি অভীক্ষা) নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় হল সুপারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।পাশাপাশি কেন্দ্র সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান এবং কেন্দ্রের ৪ কক্ষ পরিদর্শককে পরীক্ষার সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষা বোর্ড ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।সাময়িক বরখাস্ত হওয়া হল সুপার হলেন হালিমা খাতুন, বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম। আর দায়িত্ব থেকে অব্যহতিপ্রাপ্ত পরিদর্শকরা হলেন একই বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মাসুদা বেগম ও সাইদুজ্জামান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক শাহানাজ পারভীন শিমু ও শেখ জেবুন্নেছা।
এ ঘটনায় বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক আব্বাস উদ্দিন খানকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন বোর্ডের উপ-সচিব আব্দুর রহমান, সেকশন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।অপরদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) প্রশান্ত কুমার দাসকে প্রধান করে জেলা প্রশাসনের পক্ষে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিতে অপর দুই সদস্য হলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জোবায়েদা নাসরিন।এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস বলেন, যেসব পরীক্ষার্থী ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে, তাদের খুঁজে বের করা হয়েছে। বোর্ডের নিজস্ব একটি ক্ষমতা রয়েছে, ফলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় প্রাপ্য নাম্বার পেতে কোনো অসুবিধা হবে না তা আমরা আগেই বলেছি। এখন আমরা আগামী পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার কাজ করছি। আজ পরীক্ষা থাকায় তদন্ত কমিটি তাদের কাজ শুরু করতে পারেনি, তবে আগামীকাল তারা তদন্ত কাজ শুরু করবে।