বরিশালের পরিবেশ দুষনমুক্ত হচ্ছেনা ৫১৩ ইটভাটায় - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালের পরিবেশ দুষনমুক্ত হচ্ছেনা ৫১৩ ইটভাটায়


মোঃ ফেরদাউস:বরিশালে পিপিলিকার মত গজিয়ে উঠেছে অবৈধভাবে ইটভাটা। আর এটাকে অবৈধ একারনে বলা যে সরকার কর্তৃক পরিপূর্নতা অনুমতি নেই। যদিও কর আদায় করছে ভ্যাট অফিস। বৈধ অবৈধ জানার প্রয়োজন মনে করছে না বরিশাল বিভাগীয় কর্মকর্তা মোঃ নাজিউর রহমান মিয়া। যদিও সে কর আদায়ের দায়ীত্ব পালনে ভারী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। কিন্তু ইটভাটার মালিকরা মনে করছেন এটাতেই আমাদের অবৈধতা বৈধ হয়েছে (সরকারি কোষাগারে টাকা দিয়েছেতো)। যার একটি নমুনা দেখা গেছে বরিশাল সদর উপজেলার ৭ নং চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্নকাটি গ্রামে অবস্থিত মেসার্স সোহাগ ব্রিকর্স (এম এস বি)। যাহার নথি নং – ০৮.০১.০৬৫১.১০৭.১৭.১৪৪.১৯.০৫। প্রত্যায়ন পত্র নং – ৫৪/২০১৯। ২০১৮/১৯ অর্থ বছরে উক্ত ইটভাটা থেকে কর আদায় করেছে ৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।

ইটভাটাগুলোতে অনুসন্ধান করতে সরেজমিনে গেলে সকলেই এ কর আদায়ের রশিদ দেখিয়ে বলছেন আমরা এতে বৈধ হয়ে গেছি। তারা বলেন, আমরা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে ইটভাটা পরিচালনা করে থাকি। পরিবেশ দুষনের ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের মালিকরা বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে বাৎষরিকভাবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছারপত্রর দাবিও করছেন অধিকাংশ চিমনি চুঙ্গা ফিল্ড মালিকরা। গতবছর পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মোঃ হালিমকে একাধীক চিমনি চুঙ্গা ব্রিকর্সের সংবাদ দেয়া হয়েছিল। তাহার কোনো প্রতিকার দেখা যায়নী। ইটভাটার মালিকরা বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মাষিক মাশোয়ারা দিয়ে চিমনী চুঙ্গায় ইটভাটা পরিচালনা করছেন কর্নদাররা। ঘুরে ফিরে দেখা গেছে, অধিকাংশ ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছারপত্র নেই। কতেক ইটভাটায় ছারপত্র থাকলেও তাহাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও চলছে মাসের পর মাস। সাবেক পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল পরিচালক সুকুমার বিশ্বাস বলেছিলেন, চিমনী চুঙ্গার ইটভাটাগুলোতে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো প্রকার ছারপত্র দেয়া হবে না। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছারপত্র, ফায়ার লাইসেন্স, চেয়ারম্যান অনআপত্তি প্রত্যায়ন, ট্রেড লাইসেন্স, টি এন সার্টিফিকেট, বি এসটি আই লাইসেন্স, ১ একর ৫০ শতাংশ ভূমি, বসত বাড়ি ঘর থেকে আধা কিলোমিটার দুরন্ত সহ জেলা প্রশাসকের দপ্তরে লাইসেন্স করতে হবে। এরপর জেলা প্রশাসকের অনুমতি পেয়ে ঝিকঝাক চুলার নির্মান করে ইটভাটা পরিচালনা করতে হবে। যাহাতে পোড়াতে পারবেনা কোনো প্রকার কাট। কিন্তু আলোকপাত করে দেখা যায় যে, উক্ত আইন কাণুনের তোয়াক্কা না করে ইটভাটা পরিচালনা করছে সারি সারি কাট দিয়ে। প্রতিটি ইটভাটায় কাট পোড়াতে বসানো হয়েছে করাতিকল। যেসকল ইটভাটাঃ- মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা প্রোপারে মাহাবুব তালুকদারের ইটভাটা, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম ভুলুর ইটভাটা, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার লেঙ্গুটিয়া জাকির মেম্বার ইটভাটা, বরিশাল সদর উপজেলার চরবারিয়া ইউনিয়নে ইনা ব্রিকস, প্রোঃ ইউনুছ মিরা। মেসার্স গ্লোল্ড ব্রিকস, প্রোঃ মিজানুর রহমান।

হিজলা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে এস এ এফ ব্রিকস, প্রোঃ ইয়ামিন মুন্সি। এমবি সি ব্রিকস, প্রোঃ জালাল উদ্দিন। হিজলা কাদিরাবাদ হাওলাদার ব্রিকস, প্রোঃ মনির হাং, ফাইভ ষ্টার ব্রিকস, প্রোঃ আবুল বাসার ও মান্নান। এম বি সি ব্রিকস, প্রোঃ প্রভেষর মিজানুর রহমান। ই আর বি ব্রিকস, প্রোঃ সহিদুল ইসলাম। তালুকদার ব্রিকস, প্রোঃ গোলাম মস্তফা। পি বি সি ব্রিকস, প্রোঃ আলতাব হোসেন, প্যাদা ব্রিকস, প্রোঃ আলতাব পাদা। এমবি বি এম ব্রিকস, প্রোঃ গিয়াসউদ্দিন। কে এ বি ব্রিকস, প্রোঃ জগলু কাজী। মারিয়া ব্রিকস, প্রোঃ গফফার তালুকদার। এস এ এস ব্রিকস, মকবুল আলম, বিসমিল্লাহ ব্রিকস, প্রোঃ কাঞ্চন বেপারী। বি বি সি ব্রিসক, প্রোঃ আরিফ। হিজলা ব্রিকস,প্রোঃ জামাল রাড়ী। তাজ ব্রিকস, প্রোঃ আজাদ রহমান। বি বি এম ব্রিকস, প্রোঃ শাহআলম মাষ্টার, সোহাক ব্রিকস, প্রোঃ নুর আলম। টু ষ্টার ব্রিকস, প্রোঃ শামিম খান। এ এসটি ব্রিকস, প্রোঃ সজিব মোল্লা। সেতারা ব্রিকস, প্রোঃ কুদ্দুস মোল্লা। এ এম ষ্টার ব্রিকস, প্রোঃ রাকিব ও দুলাল। হাওয়া ব্রিকস, প্রোঃ কালাম। কালাম ব্রিকস, প্রোঃ কালাম হোসেন। টু ষ্টার ব্রিকস, প্রোঃ মাসুদ ও সোবাহান। মিরা ব্রিকস, প্রোঃ নান্না মিরা। সি এম ব্রিকস, প্রোঃ সাহাবুদ্দিন খান। এসটি ব্রিকস, প্রোঃ আলতাব হোসেন। মীম ব্রিকস, প্রোঃ আবুল হোসেন। জনি ব্রিকস, প্রোঃ জাকির হোসেন। আর এম পি ব্রিকস, প্রোঃ জুয়েল রাড়ি। সিকো ব্রিকস, প্রোঃ রুবেল মিয়া। ফুজি ব্রিকস, প্রোঃ রাজু। এম এস বি ব্রিকস, প্রোঃ বসার ডাক্তার। খান ব্রিকস, প্রোঃ কালাম হোসেন, পি এইচ বি ব্রিকস, প্রোঃ আজাদ মৃধা। এম বি এফ ব্রিকস, ধীপেন জোমাদ্দার। রাম বি ব্রিকস, প্রোঃ রাকিব মাহমুদ তালুকদার। শাপলা ব্রিকস, প্রোঃ পারভেজ। আরিফ ব্রিকস, প্রোঃ আলতাব হোসেন। এজিএম ব্রিকস, প্রোঃ বেলায়েত হোসেন। নেষ্ট ব্রিকস, প্রোঃ আঃ বারেক। টাটা ব্রিকস, প্রোঃ আসাদ আহম্মেদ। নিপা ব্রিকস। এ এল ব্রিকস, প্রোঃ হাজী নিজাম। লেঙ্গুটিয়া ব্রিকস, প্রোঃ মাইদুল ইসলামসহ ৫১৩ টি ইটভাটা লাইসেন্স বিহীন চলছে। সরেজমিনে খোজ খবর নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এদের ব্যাপারে কখনও নজরদারি রাখছেন না। খবরের বাকী অংশ আগামীকাল ”””””””””””””””

Top