বনমোরগ দেখতে খুবই সুন্দর। মুরগিরা আকারে একটু ছোট। মোরগ দেখতে বেশি সুন্দর। খুব চালাক পাখি এরা। - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রতিবাদ শিরোনামে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি’ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বরিশাল ইইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরূদ্ধে নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ও উদ্বেগ ... নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক

বনমোরগ দেখতে খুবই সুন্দর। মুরগিরা আকারে একটু ছোট। মোরগ দেখতে বেশি সুন্দর। খুব চালাক পাখি এরা।


আলোকিত বার্তা:বনমোরগ দেখতে খুবই সুন্দর। মুরগিরা আকারে একটু ছোট। মোরগ দেখতে বেশি সুন্দর। খুব চালাক পাখি এরা। বাংলাদেশের সুন্দরবন ও পাহাড়ি বিভিন্ন বনে সংখ্যায় কমলেও দেখা যায় এখনও।এদের মাথায় চমৎকার খাঁজকাটা ফুল। গলার নিচের থলতলে চামড়া, চোখের চারপাশ, বোজানো অবস্থায় ডানা, যেখানে লেজের গোড়ায় শেষ হয়েছে সেখানটাসহ পিঠের কিছু অংশের রং সোনালি-লাল বা সোনালি হলুদ। কান সাদাটে। ঠোঁট থেকে চোখের নিচ দিয়ে চওড়া কালচে-কমলা টান কানের গোড়ায় এসে মিশেছে। মাথার পেছন দিকের চমৎকার পেলব পালকগুলোর রং হলুদাভ-সোনালি। ঘাড়-গলার বাহারি পালকের রং একই রকম। পিঠ-বুক কালো। পায়ের রং ঘন বাদামি। নখ ছুরির মতো ধারালো। এদের লেজের গড়ন আরও সুন্দর।মুরগিবনমোরগের ইংরেজি নাম Red Jungle Fowl। বৈজ্ঞানিক নাম Gallus Gallus। শরীরের মাপ ৬০-৭০ সেন্টিমিটার। মুরগির মাপ ৪০-৫০ সেন্টিমিটার। এদের গড়ন পোষা মোরগের চেয়ে একটু লম্বাটে। এই বনমোর-মুরগি হলো পৃথিবীর সব ধরনের পোষা মোরগ-মুরগির আদি বাবা-মা। বাংলাদেশের সুন্দরবন ও পাহাড়ি সব বনে এদের দেখা যায়।

এদের খাদ্যতালিকায় আছে কচি ঘাস-পাতার ডগা, যে কোনো ধরনের শস্যদানা, পোকা-পতঙ্গ, ছোট মাছ ও ব্যাঙ, নির্বিষ ও বিষধর ছোট সাপ, কেঁচো, ছোট কাঁকড়া, অঞ্জন, টিকটিকি, কাঁচা মরিচ, কচি বেগুন ইত্যাদি।বনমোরগসুন্দরবনে এরা বাসা বানায় ঘাস, শুকনো কেয়া পাতা, গোলপাতা দিয়ে। দলবেঁধে চলাফেরা করে। এদের শিকার করা খুবই কঠিন। অত্যন্ত চালাক এবং বুদ্ধিমান এরা। মাটিতে বুক-পেট ঠেকিয়ে ঝোপঝাড়ের তলায় বা গাছের আড়ালে আত্মগোপন করতে ওস্তাদ। যেন ভালো দৌড়াতে পারে তেমন পারে উড়তে।

বাচ্চাসহ মুরগিকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১. বনমুরগির বাচ্চা ধরে পোষ মানানো যায় না। কিছুই খায় না। সুযোগ পেলেই পালায়।
২. পোষা মুরগির মতো বনমুরগিও বাসা করার পর ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার আগে ডাকাডাকি করে, একাই ডিমে তা দেয়। তা দেওয়ার সময় মুরগির শরীর ফুলে থাকে, মেজাজ থাকে খারাপ।
৩. বিপদ দেখলে সংকেত দিতে এরা ওস্তাদ। খুব ভোর, নির্জন দুপুর আর সন্ধ্যায় ডাকাডাকি করে। রাত কাটায় বাঁশঝাড় বা গাছের ডালে।
৪. তিন-চার দিনে এরা বাসা সাজায়। প্রতিদিন একটি করে ডিম পাড়ে। মোট পাড়ে ৫-৬টি ডিম। ১৯-২০ দিনে বাচ্চা ফোটে। সব বাচ্চা ফুটলে বাসা ছেড়ে দেয়, আর ফেরে না।

Top