যারা অ্যালার্জি কিংবা অ্যাজমার সমস্যায় ভুগছেন,তাদের শীত মৌসুমে একটু বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়। - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি প্রতিমন্ত্রীর ‘পাল্টা প্রশ্ন’ তথ্য জানার অধিকারের প্রতি হুমকি মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শিল্পে গ্যাস সংকট কাটছেই না,তেল কিনতে ৬৫০০ কোটি টাকা চায় পিডিবি নির্বাচনের পরিকল্পনা নভেম্বর ধরে আগানো হচ্ছে জ্যেষ্ঠতার তালিকায় ২৫৭ ‘অনিয়মিত’ প্রকৌশলী ! এলজিইডিতে বিধিবিধান অমান্যের প্রতিযোগিতা ডিলারদের ঘরে কর্মকর্তাদের কীসের এত খাওয়াদাওয়া,সার সংকটে হয়রান কৃষক অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ সরকারের বর্তমান কাঠামো আড়াইতলা বা আড়াই স্তরবিশিষ্ট

যারা অ্যালার্জি কিংবা অ্যাজমার সমস্যায় ভুগছেন,তাদের শীত মৌসুমে একটু বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়।


আলোকিত বার্তা:যারা অ্যালার্জি কিংবা অ্যাজমার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের শীত মৌসুমে একটু বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়। কেননা, অন্য মৌসুমের তুলনায় শীতকালে এসব রোগীদের বেশি ভুগতে হয়।দ্য আমেরিকান কলেজ অব অ্যালার্জি ও অ্যাজমা অ্যান্ড ইমিউনোলজি (এসিএএআই) শীতে অ্যালার্জি ও অ্যাজমার প্রকোপ থেকে বাঁচতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে।ফ্লুর টিকা নিন : অ্যাজমা থাকলে আপনার জন্য এ পরামর্শটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হচ্ছে, অ্যাজমা ও ফ্লু উভয়েই শ্বাসতন্ত্রের রোগ। অ্যাজমা রোগীদের ফ্লু হলে তারা ঘনঘন তীব্র অ্যাজমা অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে পারেন, এমনকি জীবননাশক জটিলতাও তৈরি হতে পারে।নিয়মিত ঘর পরিষ্কার করুন : এটা ঠিক যে শীতকালে বাইরের চেয়ে ঘরের অ্যালার্জেন দ্বারা অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। এ কারণে আপনার অথবা পরিবারের কোনো সদস্যের অ্যালার্জি থাকলে প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করার ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে। ডাস্ট মাইটের (ধুলোর কীট) মতো অ্যালার্জেন দূর করতে নিয়মিত ম্যাট্রেস ও বিছানা পরিষ্কার করতে হবে। ঘরের বেসমেন্ট ও বাথরুমের স্যাঁতস্যাতে জায়গায় ছত্রাকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পোষা প্রাণীর শরীর থেকে খসে পড়া আঁইশ, লালা ও মূত্রের একটি প্রোটিন অ্যালার্জিতে ভোগায় বলে শীতকালে এগুলোর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।হাত ধোয়ার প্রবণতা বজায় রাখুন : আপনার নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস থাকলে ভালো। কিন্তু না থাকলে বাইরে থেকে ঘরে আসামাত্র হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এ অভ্যাসে কোল্ড ও ফ্লুর ভাইরাস দূর হয়ে যায়। এসব ভাইরাস অ্যাজমা ও অ্যালার্জির উপসর্গকে আরও খারাপ করে। নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি, যা আপনাকে বিভিন্ন মারাত্মক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

ফার্নেস ফিল্টার ব্যবহার করুন : ফার্নেস ফিল্টার ঘরের বাতাসের মান নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে। ডিভাইসটি ঘরের ভেতরের অনাকাঙ্ক্ষিত নোংরা বা ধুলো দূর করে এগুলোর রিসার্কুলেটিং প্রতিরোধ করে। ঘরের বাতাস থেকে নোংরা বা ধুলোর পরিমাণ কমলে অ্যালার্জির প্রবণতাও কমে যায়। আপনার ঘরের বাতাস থেকে অ্যালার্জেন দূর করতে এমইআরভি-১১ বা ১২ ফিল্টার বেছে নিন। প্রতি এক থেকে তিন মাসে ফার্নেস ফিল্টার পরিবর্তন করা ভালো।ফায়ারপ্লেস থেকে দূরে থাকুন : শীতকালে ঠাণ্ডা তাড়াতে অনেকে বাইরের উন্মুক্ত স্থানে বিভিন্ন জিনিস বা আবর্জনা একত্রিত করে আগুন জ্বালিয়ে থাকেন। কিন্তু এ ধরনের ফায়ারপ্লেস অ্যাজমা রোগীদের জন্য ভালো নয়। অগ্নিকূণ্ডের ধোঁয়া অ্যাজমা অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।চিকিৎসকের পরামর্শ নিন : ঠিক কী কারণে আপনাকে অ্যালার্জি ও অ্যাজমার উপসর্গে ভুগতে হচ্ছে জানতে অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে পারেন। টেস্টের মাধ্যমে চিকিৎসক ভোগান্তির প্রকৃত কারণ শনাক্ত করতে পারেন এবং সঠিক চিকিৎসা করতে পারেন।

Top