চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাচ্ছেন ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন। - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসির ডিজিএম আশরাফুল আলমের খুঁটির জোর কোথায় : প্রধানমন্ত্রী ও দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে কর্মক... ‘রুপালি ধোঁকা’ইলিশের নামে ব্যাংকগুলো গ্রাহককে আমানতের বিপরীতে গড়ে যে হারে মুনাফা দিচ্ছে,এর চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার অনেক বেশি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ,অন্য হোতারা ধরা না পড়ায় প্রশ্ন ব্যাংকক বৈঠকে চাওয়া হবে ৫০০ কোটি ডলারের ঋণ বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিরুদ্ধে কথা বলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার আতঙ্কে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা,বিএনপিতেও শুরু হয়েছে শুদ্ধি অভিযান অর্থনীতি নাজুক, পরিশোধে অক্ষমতায় হতে পারে বিপদ,কমছে আয়, ঋণেই ভরসা লন্ডনে এমপি সরোয়ার আলমগীরের সাথে মতবিনিময়: প্রবাসীদের সম্মান-নিরাপত্তা ও কালুরঘাট সেতু’র কাজ দ্রুত ... মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাচ্ছেন ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন।


আলোকিত বার্তা:চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাচ্ছেন ১৭ হাজার ১৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার জন।সব মিলিয়ে ২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন হজে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী। এছাড়া কমিটির সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল, জিন্নাতুল বাকিয়া, তাহমিনা বেগম এবং রত্না আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয়, ২০২০ সালে (১৪৪১ হিজরি) হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য হজ ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়েছে। এ বছর শতভাগ হজ যাত্রীর ইমিগ্রেশন মক্কা রুটের মাধ্যমে ঢাকায় সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।হজ যাত্রীদের আরও উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হজ মেডিক্যাল টিমে সহায়ক হিসেবে মেডিকেল ডিপ্লোমা সার্টিফিকেটধারীদের অগ্রাধিকার দেয়ার সুপারিশ করে কমিটি।বৈঠকে কমিটি প্রতিটি সংসদীয় আসনে মসজিদের মেরামত ও সংস্কার করার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বার্ষিক ১০ লাখ টাকা, মাদ্রাসার জন্য ৫ লাখ টাকা এবং মন্দিরের জন্য ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার সুপারিশ করে।এছাড়া হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের ট্রাস্টি বোর্ড গঠন ও কল্যাণ ট্রাস্ট্রের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য স্থায়ী জমি বরাদ্দ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বৈঠকে।

Top