পালালো আসামি বাথরুমের গ্রিল ভেঙে - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ও উদ্বেগ ... নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি

পালালো আসামি বাথরুমের গ্রিল ভেঙে


আলোকিত বার্তা:গ্রেফতার এড়াতে শিশু অপরহণ ও হত্যা মামলার আসামি দুখু মিয়া শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বাথরুমের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে গেছেন।মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) ভোরের দিকে পুলিশের চোখে ধুলা দিয়ে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ইএনটি ওয়ার্ডের বাথরুমের গ্রিল খুলে হাতকড়াসহ পালিয়ে যান তিনি। এ নিয়ে হাসপাতালের রোগীদের মাছে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পলাতক দুখু মিয়া রংপুরের বাসিন্দা। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় ও পরবর্তীতে হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত একটি মামলার আসামি তিনি। গত ৪ মার্চ ঢাকা পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ তাকে বরিশাল নগরের পলাশপুরের গুচ্ছগ্রামে ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করতে গেলে গলায় ব্লেড দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন দুখু মিয়া।

হাসপাতালে আসামি দুখু মিয়ার হেফাজতের দায়িত্বে থাকা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গলায় আঘাতজনিত কারণে গত ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে দুখু মিয়াকে শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ইএনটি ওয়ার্ডে ১নং বেডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিলো।এএসআই আমিনুল বলেন, রাত ৩টার দিকে দুখু মিয়া বাথরুমে যাবার কথা বলেন। এজন্য আমি এবং কনস্টেবল রিয়াদ তার এক হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে ওয়ার্ডের বাথরুমে নিয়ে যাই। দুখু বাথরুমে ঢুকে অনেক জোরে কল ছেড়ে দেন। কিন্তু বাথরুম থেকে বের হতে দেরি হওয়া এবং কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাথরুমের দরজায় ধাক্কা দেই। এতেও কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখতে পাই বাথরুমের জানালার গ্রিল খুলে বাথরুমের প্যানের উপর ফেলে রাখা। যে জুতা পরে দুখু মিয়া বাথরুমে ঢুকেছিলেন সেই জুতা জোড়াও পড়ে আছে।এএসআই আমিনুল বলেন,আসামি দুখু মিয়া সুস্থ ছিলেন। এজন্য ইএনটি ওয়ার্ডের চিকিৎসকদের একাধিকবার বলেছি হাসপাতালের প্রিজন সেলে পাঠানোর জন্য। কিন্তু তাদের আসা-যাওয়ায় কষ্ট হবে বলে তাকে ওয়ার্ডেই ভর্তি রাখে।এ বিষয়ে কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আসামির হেফাজতের দায়িত্বে থাকা পুলিশ জানিয়েছে যে দুখু মিয়া জানালার গ্রিল খুলে হ্যান্ডকাপ নিয়ে পালিয়েছে। তবে আসামির পালানোর পেছনে পুলিশের কোনো গাফিলতি রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Top