মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়া যাবে
মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন: রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর আপত্তির পর ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে এ নিয়ে নানা সমালোচনা তৈরি হয়। নির্বাচন নিয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নেতারা ওই সিদ্ধান্তের তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন।সোমবার সন্ধ্যায় ইসিতে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনের দিন সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, ভোটার, প্রার্থী ও এজেন্ট ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে পারবেন। তবে গোপনকক্ষের ছবি তুলতে পারবেন না।এর আগে রোববার রাতে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।
এছাড়া বিএনপি এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল তীব্র আপত্তি জানায়। মোবাইল ফোন নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বৈঠক করেন জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতারা। এদিন একই বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে ইসির সঙ্গে বৈঠক করে ডাকসুর একটি প্রতিনিধি দল। সাংবাদিক সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব), বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাস-বিএসআরএফসহ কয়েকটি সংগঠন নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়।পরে সোমবার সন্ধ্যায় ইসির নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সচিব বলেন, মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটাররা ভেতরে যাবেন,প্রার্থীরা যাবেন এবং এজেন্টরাও যাবেন।তারা ছবিও তুলতে পারবেন,তবে কোনোভাবেই গোপন কক্ষের ভেতরে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করা বা ছবি তোলা যাবে না।তিনি আরও বলেন,রাজনৈতিক দলের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা এসেছিলেন।তাদের প্রধান কনসার্ন ছিল মোবাইল ফোন।এখানে কিছুটা মিসকমিউনিকেশন হয়েছে।আমরা যা বোঝাতে চেয়েছি,তা লিখিতভাবে সেভাবে প্রকাশ পায়নি।মোবাইল ব্যবহারের ওপর কিছু বিধিনিষেধ থাকবে, যা আমরা এখন ফিল্টার করছি।