দক্ষ জনবল তৈরি ও ডিজিটাল চাকরির সুযোগ সৃষ্টিতে ২৯৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্বের শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ ছাত্রদলের হামলায় সমকাল-ডেইলি স্টার-বিডিনিউজের সাংবাদিকসহ আহত ১০,কিন্তু পুলিশও ভয়ে পালিয়ে গেছে ঢাকায় ৭০% মানুষের নিজস্ব আবাসন নেই বিচার বিভাগে সরকারের হস্তক্ষেপে আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি প্রথমবারের মতো ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিচ্ছে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, যৌন হয়রানি ও রাজনীতিতে শিক্ষকদের জড়িয়ে পড়াসহ শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা সংকটে দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিরতা দেখতে চায় না বিএনপি ১২ কেজি এলপিজির সিলিন্ডার এক লাফে ১৮৩৭ টাকা বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজে গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অনির্বাচিতদের কবজায় যাচ্ছে হাজার ইউপি,নির্ধারিত সময়ে ভোট না হওয়া

দক্ষ জনবল তৈরি ও ডিজিটাল চাকরির সুযোগ সৃষ্টিতে ২৯৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া:দক্ষ জনবল তৈরি ও ডিজিটাল চাকরির সুযোগ সৃষ্টিতে ২৯৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রতি ডলার সমান ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ৫০৭ কোটি ৫০ হাজার টাকা। এনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি প্রকল্পের আওতায় এ ঋণ দেবে সংস্থাটি।রোববার (৯ জানুয়ারি) নগরীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি সই হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের মেয়াদকাল ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সাল পর্যন্ত। এ ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি দিতে হবে। বিশ্বব্যাংকের শর্তানুসারে চার বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩৪ বছরে ঋণ পরিশোধ করা হবে।

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে ডিজিটাল অর্থনীতি প্রসারে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা এবং দেশীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিল্পের প্রসার ঘটানো। প্রকল্পের মাধ্যমে ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশের লক্ষ্যে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল তৈরি ও চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরের ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ডিজিটালাইজেশন করা সম্ভব হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান করা হবে।এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি ডিজিটাল লিডারশিপ একাডেমি স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল অর্থনীতি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

Top