এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ৫টি,শহরে অটোরিকশা চালাতে লাগবে নিবন্ধন - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ ৫টি,শহরে অটোরিকশা চালাতে লাগবে নিবন্ধন


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা:দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে এ বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।বিধিমালায় ই-রিকশা বলতে সরকার অনুমোদিত নির্ধারিত গতিসীমার তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত যানকে বোঝানো হয়েছে।নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলতে পারবে না। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। নিবন্ধিত ই-রিকশা এক সিটি করপোরেশন থেকে অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চালানো যাবে না।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্প গতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

আকারভেদে এসব যানবাহনে চালক ছাড়া দুই অথবা চারজন যাত্রী বহন করা যাবে। কাঠামোগত নকশা ও প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এসব ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।এক এনআইডিতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশাবিধিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি সিটি করপোরেশন সরকারে পূর্বানুমোদন নিয়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে তাদের আওতাধীন এলাকায় ই-রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ করবে। সামগ্রিকভাবে অথবা জোনভিত্তিক এ সংখ্যা নির্ধারণ করা যাবে।ই-রিকশার নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্যতার ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক, কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী (তবে বিধিমালায় হয়তো ভুলে সর্বোচ্চ ১৮ বছর লেখা হয়েছে হবে) এবং কোনো উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে।নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি, নিবন্ধন ফি জমার রসিদ এবং নির্ধারিত ফরম অনুযায়ী ফিটনেস সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

কর্তৃপক্ষ আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে নিবন্ধন দেবে। আবেদন পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত ইউনিক নিবন্ধন নম্বর ও নম্বর প্লেট দেওয়া হবে। ই-রিকশার দৃশ্যমান স্থানে ওই নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না। নিবন্ধন বা নিবন্ধন নবায়ন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না।বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ডিজাইন স্পেসিফিকেশন অনুসরণ করে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষর ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন বা নবায়ন করা যাবে না।বর্তমানে সড়কে চলাচলকারী ই-রিকশাগুলোর কাঠামো বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সংশোধন করে অনুমোদন নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষরসহ ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে। পর্যায়ক্রমে ই-রিকশাগুলোকে বিমার আওতায় আনার বিধানও রাখা হয়েছে।আয়ুষ্কাল ১২ বছর, বসাতে হবে স্পিডোমিটারপ্রতিটি ই-রিকশাকে বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য মেনে তৈরি করতে হবে। নিবন্ধনের তারিখ থেকে প্রতিটি ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ বছর। এ সময় শেষ হলে নম্বর প্লেটসহ সংশ্লিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।প্রতিটি ই-রিকশায় স্পিডোমিটার অথবা ওডোমিটার স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো যান্ত্রিক বা নিরাপত্তাজনিত ত্রুটিযুক্ত এবং নিবন্ধনবিহীন অবৈধ ই-রিকশা সড়কে চালানো যাবে না।কোনো ই-রিকশায় ত্রুটি দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ির সামনের দৃশ্যমান স্থানে ‘যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চলাচল অযোগ্য’ লেখা সাইনবোর্ড প্রদর্শন করতে হবে। এরপর সেটি মেরামতের ব্যবস্থা নিতে হবে।অবৈধ ই-রিকশা চলাচল বন্ধে মেট্রোপলিটন এলাকার ট্রাফিক বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যৌথভাবে বা আলাদাভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।

মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে ও ফুটপাতে চলবে নানতুন বিধিমালায় ই-রিকশা চলাচলের জন্য বেশ কিছু সড়ক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, প্রধান বাস চলাচলের সড়ক বা বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) করিডোরে ই-রিকশা চলতে পারবে না। এ ছাড়া প্রশাসন সময় সময় যেসব সড়কে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে, সেসব সড়কেও ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না।ফুটপাতেও ই-রিকশা চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চালককে সব সময় সড়কের বাম লেন অনুসরণ করতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। নিয়মবহির্ভূতভাবে ওভারটেকিং ও লেন পরিবর্তনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।যাত্রী নেওয়া যাবে সর্বোচ্চ চারজন, সর্বোচ্চ গতি ২৫ কিমিই-রিকশার আকারভেদে চালক ছাড়া দুই অথবা চারজনের বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।ই-রিকশায় ৪০ ডেসিবেলের বেশি তীব্রতার হর্ন ব্যবহার করা যাবে না। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার। অন্যান্য ক্ষেত্রে যানটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটারের মধ্যে রাখতে হবে।জোনভিত্তিক চলবে ই-রিকশা, নির্ধারণ হবে রংই-রিকশার চলাচলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে রুট বা চলাচলের সড়ক নির্ধারণ করবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় রুট হবে জোনভিত্তিক।

এক জোনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না।ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ জোনভিত্তিক বিভক্তকরণ, প্রতিটি জোনে ই-রিকশার সংখ্যা, চলাচলের রুট এবং ই-রিকশার জন্য নির্দিষ্ট রং চূড়ান্ত করবে।কর্তৃপক্ষ স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ই-রিকশাচালকদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে পারবে। এ প্রশিক্ষণে ট্রাফিক আইন, সড়ক নিরাপত্তা, ব্যাটারি ও ই-রিকশার রক্ষণাবেক্ষণসহ আনুষঙ্গিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলেও বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিটি ওয়ার্ডে পার্কিং, অনুমোদিত স্থানে চার্জবিধিমালা অনুযায়ী ই-রিকশার পার্কিং ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থা নিতে হবে।ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে হবে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট অথবা নির্দিষ্ট গ্যারেজে। এসব চার্জিং পয়েন্ট ও গ্যারেজে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে, বেসরকারি খাতে অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন, গ্যারেজ ও ব্যাটারি বিনিময় কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।চার্জিং স্টেশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগ নিতে হবে।

অনিয়ন্ত্রিত ও নিয়মবহির্ভূত চার্জিং পরিহার করতে হবে। পর্যায়ক্রমে বৈধভাবে নিবন্ধিত চার্জিং স্টেশনে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ করার ব্যবস্থা করা হবে।চার্জিং স্টেশনে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিড সংযোগের সঙ্গে সৌর প্যানেলের বিদ্যুৎ যুক্ত করতে হবে। এ ব্যবস্থায় দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে। চার্জিং স্টেশন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নিতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দিলে বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট আইনে শাস্তি দেওয়া হবে।ই-রিকশা ও চার্জিং অবকাঠামোয় ঋণ সহায়তাঅনুমোদিত মানের ই-রিকশা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণে ই-রিকশার চালক ও মালিকদের ঋণ সহায়তা দিতে পারবে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা, তফসিলি ব্যাংক এবং ফাইন্যান্স কোম্পানি।ই-রিকশা উৎপাদন, আমদানি, ব্যবহার, ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবস্থাপনার সব ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’ এবং এ আইনের অধীনে প্রণীত বিধিমালা ও জারি করা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি কিংবা এর অংশবিশেষ উন্মুক্ত স্থান, মাটি, জলাশয় বা সাধারণ বর্জ্যে ফেলা যাবে না। এসব ব্যাটারি পোড়ানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।ব্যাটারি বিক্রেতাকে প্রতিটি নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় ক্রেতার কাছ থেকে একটি পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করতে হবে।

এরপর সেটি অনুমোদিত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে।পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোর কাজে নিয়োজিত হতে পারবেন না। পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি কেবল অনুমোদিত এজেন্ট, ডিলার অথবা সংগ্রহকারীর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অনুমোদনে কমিটিই-রিকশার উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের সুপারিশ করতে একটি কমিটি গঠন করা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠিত হবে।দুর্ঘটনায় আহতদের সহায়তা করতে হবে চালককেই-রিকশা দুর্ঘটনায় পড়লে চালককে তাৎক্ষণিকভাবে যানবাহন থামিয়ে আহত ব্যক্তিদের সহায়তা করতে হবে। একই সঙ্গে ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবে।যেসব অপরাধে আইনি ব্যবস্থাবিধিমালায় নিবন্ধন ছাড়া ই-রিকশা চালানো, অনুমোদিত গতিসীমার বেশি গতিতে চালানো, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, মোটর বা কাঠামো পরিবর্তন, নিষিদ্ধ এলাকায় ই-রিকশা চালানো, বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানো, যাত্রী ছাড়া মালামাল পরিবহন, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করা এবং দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।এসব অপরাধের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। তবে বিধিমালার ১৯ ধারায় অপরাধের তালিকা ও আইনানুগ ব্যবস্থার কথা বলা হলেও পৃথকভাবে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।

নিবন্ধন ফি সর্বোচ্চ ১০ হাজার, নবায়নে ৫ হাজারবিধিমালার তফসিল-২ অনুযায়ী, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি আট হাজার টাকা। এর বার্ষিক নবায়ন ফি চার হাজার টাকা।চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সব ধরনের ই-রিকশার ফিটনেস সার্টিফিকেট ফি এক হাজার টাকা।নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বাবদ পাওয়া অর্থ সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের রাজস্ব আয় হিসেবে গণ্য হবে। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বিনামূল্যে কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বর প্লেট এবং বিস্তারিত তথ্যসহ ব্লু-বুক ই-রিকশাচালককে দেবে। ব্লু-বুকে সংশ্লিষ্ট চার্জিং স্টেশন বা চার্জিং গ্যারেজের বিস্তারিত তথ্যও থাকতে হবে।

Top