বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ

বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ


এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :
বরিশাল বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালের নার্সিং ইনচার্জ (ব্রদার) শফিকুল ইসলাম শাহীনের বিরুদ্ধে রোগীদের ড্রেসিং ও সেলাইয়ের কাজ করিয়ে টাকা নেওয়া, রোগীদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের বড় অংশ নিজের কাছে রাখা এবং এক কর্মচারীকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ওটি থেকে চিকিৎসাসামগ্রী সরানোরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া ওটির ক্যাটগাট সুতা রোগীকে দিয়ে বাইরে থেকে আনার বিল হাতে নিয়ে নেন শফিক। হাসপাতালের স্ট্রেচার বেয়ারার মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত আবেদনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
লিখিত আবেদনে জাহাঙ্গীর হোসেন দাবি করেন, নার্সিং ইনচার্জ শফিক ব্রাদার রোগীদের ড্রেসিংসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার সময় তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেন। রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর তাঁকে চায়ের দোকানে নিয়ে যাওয়া হতো এবং খরচের সামান্য অংশ রেখে বাকি টাকা নিয়ে নেওয়া হতো। ওটির ক্যাটগাট সুতা দিয়ে সেলাই করে সেগুলোর বাইরের মুল্য রোগীর থেকে হাতিয়ে নেন শফিক।
আবেদনে আরও দাবি করা হয়, হাসপাতালের বাইরে থেকে আসা রোগীদের ড্রেসিং বা সেলাইয়ের কাজের জন্যও টাকা নেওয়া হতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীদের কাছ থেকে দুই থেকে তিন হাজার টাকা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে অভিযোগকারী দাবি করেন, আদায় করা অর্থের একটি অংশ তাঁকে দেওয়া হলেও পরে সেই টাকা আবার নিয়ে নেওয়া হতো। এ ছাড়া এ ধরনের ঘটনা কাউকে জানালে চাকরি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া কিংবা চিকিৎসাসামগ্রী আত্মসাতের মতো অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

Top