জ্বালানি তেলের প্রভাবে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ কঠিন শর্তে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার আ.লীগ ঠেকাতে জিরো টলারেন্স,হাসিনার ডিসেম্বর দেশে ফেরার ‘ফাঁকা আওয়াজ’ এক পরিবারের একাধিক সদস্য সারের ডিলার হতে পারবে না স্ত্রীকে দেনমোহর পাওয়ার জন্য তালাক বা স্বামীর মৃত্যুর আগপর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না জ্বালানি তেলের প্রভাবে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া, অপরাধের বিচার এবং জবাবদিহির মধ্য দিয়ে কি ‘রিকনসিলিয়েশনের’ পথ তৈরি হবে? সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়ন সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ South Bangal Press Club -দক্ষিণবঙ্গ প্রেসক্লাব

জ্বালানি তেলের প্রভাবে বেড়েছে মূল্যস্ফীতি


রিপোর্ট আলোকিত বার্তা :মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশের অর্থ হলো, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে যে পণ্য কিনতে ১০০ টাকা খরচ হয়েছিল, একই পণ্য কিনতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে খরচ করতে হয়েছে ১০৮ টাকা ৩৪ পয়সা। সিপিআই প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, আগস্টে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে। গত মাসের দ্বিতীয়ার্ধে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এর প্রভাব মূল্যস্ফীতির হিসাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে মূল্যস্ফীতিতে। সদ্যবিদায়ি সেপ্টেম্বরে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে উঠেছে। একই সময়ে কমেছে মজুরি বৃদ্ধির হার। অর্থাৎ মানুষের ব্যয়ের চাপ বাড়লেও সেই তুলনায় আয় বাড়ার গতি কমেছে।বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত ভোক্তা মূল্যসূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে খাদ্যপণ্যের দাম। আগস্টে জাতীয় পর্যায়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে নেমেছে। আগস্টে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ। গত বছরের সেপ্টেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। টানা তিন মাস ৯ শতাংশের বেশি থাকার পর জুলাই ও আগস্টে মূল্যস্ফীতি কমেছিল। সেপ্টেম্বরে এসে আবার তা বেড়েছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহণসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়ার প্রভাব পণ্য ও সেবার দামে পড়তে শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন। এতে সীমিত আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত পরিবারও বাড়তি ব্যয়ের চাপে পড়ছে। গ্রামীণ এলাকায়ও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে সেখানে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আগস্টে এ হার ছিল ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০১ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৯ থেকে সামান্য কমে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে নেমেছে। শহরাঞ্চলে সেপ্টেম্বরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। এ সময়ে শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ০৪ থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। বিপরীতে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯৭ থেকে কমে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও মজুরি বৃদ্ধির হার কমেছে। বিবিএস-এর মজুরি হার সূচক অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। আগস্টে এ হার ছিল ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ।সেপ্টেম্বরে কৃষিতে মজুরি বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৯, শিল্পে ৭ দশমিক ৮৬ এবং সেবা খাতে ৮ দশমিক ০৭ শতাংশ। ফলে মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশের বিপরীতে সাধারণ মজুরি বৃদ্ধির হার রয়েছে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশে।বিবিএস জানিয়েছে, দেশের ৬৪টি জেলার ১৪৩টি হাটবাজার থেকে সংগৃহীত উপাত্ত বিশ্লেষণ করে এসব পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে।

Top