শিল্পে আজ থেকে গ্যাস বিদ্যুৎ আগের অবস্থায় - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়ন সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ South Bangal Press Club -দক্ষিণবঙ্গ প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের মাদকের বিস্তার এখন মহামারির পর্যায়ে,অভিযান শুধু বৈধ বারগুলোতে ভয়াবহতা ছড়াচ্ছে দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অব্যবস্থাপনায় হয়রানি ভোগান্তি স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটি এর প্রকৌশলী মামুন উর রশিদ বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটি টাকার বিরোধ রিকশাচালকের ব্যানারে ‘গুপ্ত’ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ-শ্রমিক লীগ, মজদুর লীগ

শিল্পে আজ থেকে গ্যাস বিদ্যুৎ আগের অবস্থায়


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা:শিল্পকারখানায় আজ থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আশা করছি, আজ থেকে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। সচিবালয়ে সোমবার দুপুরে ব্যবসায়ী নেতা ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন আশ্বাস দিয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন। সরকারপ্রধান বলেছেন, অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করে সরকারকে তাদের মেয়াদে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া উচিত। সভা শেষে এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেছেন, আমরা একটি স্বস্তি ও ভালোলাগার আশ্বাস নিয়ে সভা থেকে বের হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, আজ থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে। এটি আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। আজ আমরা হাসিমুখে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সভা সমাপ্ত করেছি।

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটকে ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সমস্যা’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সরকার সমস্যা চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছে এবং এখন তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। যে কোনো বিষয়ে পরিকল্পনা করা এবং তা বাস্তবায়নে সময় লাগে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কাজ করছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে দুর্ঘটনার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যাটি ইতোমধ্যেই সমাধান করা হয়েছে।তিনি বলেন, জি টু জি ভিত্তিতে আরেকটি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে। সরকার আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালটি সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে। বিদ্যুৎ খাতের সমস্যাও দীর্ঘদিনের মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করেছে এবং তা সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এখন বাস্তবায়নের কাজ চলছে। সভায় সরকার কোন কাজ কখন শেষ করতে চায়, তার সম্ভাব্য সময়সীমাও ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে সরকারের সামনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সময়সীমা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা ও শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার সামগ্রিক প্রভাব দেশের অর্থনীতির ওপর পড়ে। ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, তা অর্জন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সমস্যার ব্যাপ্তি ও জটিলতা সম্পর্কে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় আগে থেকেই অবগত। সরকার সমস্যাগুলো আড়াল না করে খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছে এবং কীভাবে তার সমাধান করতে চায়, তাও জানিয়েছে।তিনি বলেন,এতটুকু আমরা আপনাদের জানাতে চেয়েছি যে আমরা এটি নিয়ে কাজ করছি। সেজন্য হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।’ সরকারের পরিকল্পনা যৌক্তিক মনে হলে তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে শুধু ব্যবসায়ী সম্প্রদায় নয়, পুরো দেশ উপকৃত হবে। দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সভা শেষে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন-আগামীকাল (মঙ্গলবার) রাত থেকেই গ্যাস ও বিদ্যুতের ক্ষেত্রে আমরা আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে পারব। আমাদের মনে হয়, এটিই আজকের বৈঠকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও স্বস্তির খবর। এর পাশাপাশি, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী তার উপস্থাপনায় আগামী দিনে বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির একটি পরিষ্কার রূপরেখা তুলে ধরেছেন। এর মাধ্যমে কেবল বর্তমান সংকটের সমাধানই হবে না, বরং আগামী দিনে শিল্পের বিকাশ ও নতুন বিনিয়োগ বাস্তবায়নে যে বর্ধিত গ্যাস ও বিদ্যুতের প্রয়োজন হবে, তা মেটানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও উপস্থাপিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যার যার জায়গা থেকে আমাদের প্রশ্ন ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেছি এবং সন্তোষজনক জবাব নিয়েই সভা থেকে বের হয়েছি। আমরা সবাই এক স্বরে বলেছি, আজ যে পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে, তার সুষ্ঠু বাস্তবায়ন জরুরি। যে কোনো পরিকল্পনায় কিছু তারতম্য হতে পারে, সেটি মাথায় রেখেই আমরা যারা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলাম, তারা একটি স্বস্তি ও ভালো লাগার আশ্বাস নিয়ে সভা থেকে বের হয়েছি। সরকারের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে জানিয়ে ফজলুল হক বলেন, এ সংকট কাটিয়ে আগামী দিনে দেশের শিল্পায়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতিতে আমরা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখব, তেমনি সরকারও তাদের জায়গা থেকে প্রয়োজনীয় পলিসি সাপোর্ট ও অন্য টেকনিক্যাল সহযোগিতা দিয়ে যাবে। জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি বন্দর ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার নানা সমস্যা ও অভিযোগ নিয়েও বৈঠকে অল্পবিস্তর আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা মনোযোগ দিয়ে আমাদের কথা শুনেছেন এবং আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। সভা শেষে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমইএ) ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. আবুল কালাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকেই মিল-কলকারখানায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে উন্নতি হবে এবং আমরা স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরে যেতে পারব। তিনি বলেন, উনি বিগত দিনে যত ওয়াদা করেছেন বা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, প্রত্যেকটার প্রতিফলন আমরা পেয়েছি।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, বৈঠকে দেশের শীর্ষস্থানীয় ২১টি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন ও অ্যাপেক্স বডির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের বিশিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এই অভূতপূর্ব আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল ব্যবসা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি শিল্পায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ-বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি এবং খনিজসম্পদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ক্ষেত্রে সরকারের স্বল্পমেয়াদি (২ বছর), মধ্যমেয়াদি (৫ বছর) এবং দীর্ঘমেয়াদি (১০ বছর) পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরেন।ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। সরকার বিশ্বাস করে, প্রতিটি সমস্যা একেকটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, এ ধরনের মতবিনিময় সভা আগামীতেও নিয়মিতভাবে আয়োজনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।

ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে ছিলেন-এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হক, আইসিসি-বি সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী, এমসিসিআই সভাপতি কামরান টি. রহমান, ফরেন চেম্বারের সিনিয়র ডিরেক্টর শামস জামান, ঢাকা চেম্বারের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, চট্টগ্রাম চেম্বারের মোহাম্মদ আমিরুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম, ফুটওয়্যার লেদারগুডস অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি জাকারিয়া শহীদ, ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি আবদুল মুক্তাদির, অ্যাগ্রো-প্রসেসর্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব আনাম, স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামীম আহমেদ, সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ময়নুল ইসলাম, জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, টেরিটাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম শাহাদাত হোসেন সোহেল, অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার, ইনসিওরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাঈদ আহমেদ এবং রিহ্যাবের সভাপতি আলী আফজাল।

সভায় উপস্থিত ছিলেন-বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন (আশিক চৌধুরী), বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব, পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান। এছাড়া দৈনিক মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, ইংরেজি দৈনিক ওয়াদা’র সম্পাদক শফিকুল আলম, সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, মোস্তাফা ফিরোজ, আব্দুন নূর তুষার, আকবর হোসেন, শাহেদ আলম, রেজাউল করিম রনি, আজিজুর রহমান রিপন, তরিকুল ইসলাম সৌরভ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহরিন ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন-প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. সুজাউদ্দৌলা ও শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।

Top