৫ সেপ্টেম্বর শান্তিপূর্ণ লংমার্চ সফল করার আহ্বান ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ ৭৯ খাতে দুর্নীতি ১২১ কোটি টাকা প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে চিকিৎসার বাইরে ৯২ শতাংশ

৫ সেপ্টেম্বর শান্তিপূর্ণ লংমার্চ সফল করার আহ্বান ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের


বিশেষ প্রতিনিধি:তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার সংকট নিরসনে সরকারের ব্যর্থতা, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যার বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। এই লংমার্চ সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন জোটটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বরে একটি বিশাল জনসভার মাধ্যমে এই লংমার্চ শুরু হবে। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভা ও গণসংবর্ধনা শেষে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে এক বিশাল সমাবেশের মধ্য দিয়ে লংমার্চটি সমাপ্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিবৃতিতে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষনেতারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে সংস্কার ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে বর্তমান সরকার তা বাস্তবায়ন না করে জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রশাসনের চরম দলীয়করণ ও অব্যবস্থাপনায় রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে।সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বারবার এসব জনসমস্যার প্রতিকার চাওয়া হলেও সরকার তা আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ করে নেতারা বলেন, বরং জনগণের অধিকার ও মানবাধিকারের পরিপন্থী বিভিন্ন আইন ও সিদ্ধান্ত একতরফাভাবে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সরকারের একগুয়েমির কারণেই বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন কর্মসূচিতে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে এগুলো কেবল কোনো দলের নয়, বরং আপামর জনগণের ন্যায্য দাবি।

আসন্ন এই লংমার্চে যৌথভাবে নেতৃত্ব দেবেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি, এনসিপির আহবায়ক ও বিরোধীদলীয় চীপ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর আবু জাফর কাসেমীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

লংমার্চে বিপুলসংখ্যক যানবাহন ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং পথসভাগুলোতে ব্যাপক জনসমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।এটি কোনো দলের একক দাবি নয় উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের এই লংমার্চ শান্তিপূর্ণভাবে সফল করতে হবে। কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিহত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।একই সাথে দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ ধৈর্য, সাহস ও শৃঙ্খলার পরিচয় দিয়ে লংমার্চ সফল করার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।

Top