মাটির গুণগত মান বজায় রেখে ও স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাটির গুণগত মান বজায় রেখে ও স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ


মোহাম্মাদ মহাব্বাতুল্লাহ মাহাদ:মাটির গুণগত মান বজায় রেখে ও স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন,দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়।যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে। এতে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।শনিবার (৬ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।বৈঠকে বন,পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হতো, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও গাছপালা কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার। এই বৃক্ষরোপণ কীভাবে হবে তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

‘১৪ জুন কক্সবাজারে উদ্বোধন’
পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জন্য সরকার যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ১৪ জুন কক্সবাজারের দুলাহাজরায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন হবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।

Top