গণমাধ্যম কর্মীদের কথা ( আমাদের কথা ,আমাদের দাবি )
আলোকিত বার্তা:বাংলাদেশে গণমাধ্যমকর্মীরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতা,পেশাগত ঝুঁকি এবং চাকরির অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করছেন।সাংবাদিক ও কলাকুশলীদের(ক্যামেরাম্যান,এডিটর,প্রডিউসার)কাজের স্বীকৃতি ও চাকরি নিশ্চিত করতে ‘গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন,২০২২’খসড়া অনুমোদিত হলেও, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার কর্মীরা।পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকরা টার্গেট,হামলা এবং হুমকির শিকার হচ্ছেন জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব ।
সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া বলেন,সাংবাদিক হেনস্তার এই ঘটনা গভীর উদ্বেগজনক।আমরা চাই বর্তমান সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিক এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হোক।
সাধারণ সম্পাদক লায়ন মির্জা সোবেদ আলী রাজা বলেন,একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা মানেই পুরো গণমাধ্যমের ওপর হামলা।অপরাধীকে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে এটাই আমাদের দাবি।
গণমাধ্যম কর্মীদের বর্তমান পরিস্থিতি ও দাবি:
নিরাপত্তা সংকট: সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মামলার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ।
চাকরির অনিশ্চয়তা: বিপুলসংখ্যক সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী চাকরিহীন এবং নিঃস্ব অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
আইনি সুরক্ষা: গণমাধ্যমকর্মী আইন-২০২২ এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের চাকরি স্থায়ীকরণ, বেতন কাঠামো ও ক্ষতিপূরণের সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি রয়েছে ।
স্বাধীন সাংবাদিকতা: গণতন্ত্রের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখা প্রয়োজন।
কলাকুশলীদের সংজ্ঞা: নতুন আইনে সাংবাদিকের পাশাপাশি ক্যামেরাম্যান, এডিটর, গ্রাফিক্স ডিজাইনারদেরও ‘গণমাধ্যমকর্মী’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের কাজের ক্ষেত্র:গণমাধ্যমকর্মী বলতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার পূর্ণকালীন সাংবাদিক, কলাকুশলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা,কর্মচারী এবং নিবন্ধিত সংবাদপত্রের ছাপাখানায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের বোঝায়।
সংবাদকর্মীরা যেন কোনো ধরনের চাপ বা হুমকি ছাড়া পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন,তা নিশ্চিত করা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।