"পরিকল্পিতভাবে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা মব তৈরি করে তার ওপর হামলা করে - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
নিয়ন্ত্রণহীন চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার,নিষ্ক্রিয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গায়ে হাত তোলার দাবি, কিন্তু ঘটনাস্থলে নেই ক্যামেরা,মামলার এজাহার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দেয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়েছে ৬ টাকার বিদ্যুৎ ১২ টাকায় ব্যয় ৩১টি কারিগরিভাবে নষ্ট,৬০ শতাংশ মেডিকেল অক্সিজেন প্ল্যান্ট অচল রোগীর পথ্য এখন বিলাসপণ্য শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার রাজনীতিতে নতুন উদ্বেগ,বিএনপি-জামায়াত দ্বন্দ্ব বিআরটিসির ডিজিএম আশরাফুল আলমের খুঁটির জোর কোথায় : প্রধানমন্ত্রী ও দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে কর্মক...

“পরিকল্পিতভাবে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা মব তৈরি করে তার ওপর হামলা করে


নুর নবী জনী :”পরিকল্পিতভাবে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের জনশক্তি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ওপর দায় চাপায় একটি কুচক্রী মহল বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন।শাহবাগ থানায় জিডি করতে যাওয়া ডাকসুর নেতাদের ওপর এবং সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।বৃহস্পতিবার রাতে (২৩ এপ্রিল) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে হলে এবং পরবর্তীতে প্রাণনাশের আশঙ্কায় আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহবাগ থানায় জিডি করতে গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায়ের নেতৃত্বে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা মব তৈরি করে তার ওপর হামলা করে।

পরবর্তীতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের ও সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে থানায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুধু তাই নয়, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদসহ ডাকসুর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সেখানে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হয় সন্ত্রাসীরা।এ ছাড়া সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তাদের ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় ১২ জন সাংবাদিক আহত হন। পুলিশের উপস্থিতিতে থানার ভেতর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে দেশের জনগণ কতটা অনিরাপদ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা নতজানু ও ভঙ্গুর।”

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন,সারাদেশে শিক্ষাঙ্গন দখলে নিতে ছাত্রদল বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে।জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্রসমাজ যে নতুন ছাত্ররাজনীতির প্রত্যাশা করেছিল, যেখানে পেশিশক্তি আর সংঘাতের পরিবর্তে আদর্শ ও জ্ঞানভিত্তিক চর্চা হবে—ছাত্রদল সেই স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দিতে চায়। তারা নির্বাচনের পর থেকে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং সরকারের প্রটোকল দেওয়া ও শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী রাজনীতি প্রবর্তন করতে চাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে তারা বিনা উসকানিতে ছাত্রশিবিরের ওপর হামলা চালাচ্ছে এবং পরিকল্পিতভাবে সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আজকের এই ন্যাক্কারজনক হামলা সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনারই অংশ।নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “মূলত রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতার ফলে সৃষ্ট জনরোষকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসসমূহ অস্থিতিশীল করছে ছাত্রদল। অবিলম্বে শাহবাগ থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে দাবি আদায়ে বাধ্য করবে।

Top