বিএনপি-জামায়াত কে কত আসন পেল
মু.এবি সিদ্দীক ভুঁইয়া:দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশে প্রথমবারের মতো এই নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোট। উৎসবমুখর পরিবেশে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে একটানা চলেছে ভোটগ্রহণ। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা পর্ব। এরই মধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ভোট গণনা শেষে আসতে শুরু করেছে ফল। বেসরকারিভাবে অধিকাংশ আসনের ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গেছে ইতোমধ্যে।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৫টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কোনো আসনের পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি। তবে সারা দেশের প্রতিটি আসন থেকে প্রতিনিধিদের পাঠানো সর্বশেষ সংবাদ এবং দলীয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিএনপির বিজয় নিশ্চিত হয়েছে ২০৪টি আসনে। এছাড়া জয়ের পথে এগিয়ে আছে আরও কয়েকটি আসনে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৯টি, বরিশাল বিভাগে ১৭টি, ময়মনসিংহে ১৮টি, সিলেটে ১৭টি, রংপুরে ১৪টি, রাজশাহীতে ২৮টি এবং খুলনা বিভাগে ১১টি।অপর দিকে,জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোট জয়লাভ করেছে ৭২টি আসনে। জয়ের পথে এগিয়ে আছে আরও কয়েকটি আসনে। তবে এসব ফলাফলের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিএনপি: ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আগমগীর, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমদ, ঢাকা-৬ ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিবুর রশীদ হাবিব, দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৬ ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ মোহাম্মদ কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন মিলন, পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির, সিলেট-১ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, সিলেট-২ তাহসিনা রুশদী লুনা, সিলেট-৩ এমএ মালিক, সিলেট-৪ আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট-৬ এমরান আহমেদ চৌধুরী, ঝালকাঠি-১ রফিকুল ইসলাম জামাল, ঝালকাঠি-২ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিরাজগঞ্জ-৩ আইনুল হক, সিরাজগঞ্জ-৫ মো. আমিরুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ-৬ এমএ মুহিত, মানিকগঞ্জ-১ এসএম জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা, খাগড়াছড়ি ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাজবাড়ী-২ হারুন অর রশীদ, নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ মো. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোনা-৪ মো. লুৎফুজ্জামান বাবর, হবিগঞ্জ-১ ড. রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন, হবিগঞ্জ-৩ জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মো. ফয়সাল, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ, মাগুরা-১ মো. মনোয়ার হোসেন, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী, ঝিনাইদহ-১ মো. আসাদুজ্জামান, সুনামগঞ্জ-১ কামরুজ্জামান কামরুল, জামালপুর-১ এম রশিদুল জামান মিল্লাদ, জামালপুর-৪ মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন, পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, বরিশাল-২ সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সরোয়ার, জয়পুরহাট-২ মো. আবদুল বারি, খুলনা-১ আমির এজাজ খান, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-৩ কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, কুমিল্লা-৫ মো. জসিম উদ্দিন, কুমিল্লা-৬ মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের, কুমিল্লা-৯ মো. আবুল কালাম, কুমিল্লা-১০ মোবাশ্বর আলম ভূঁইয়া, নোয়াখালী-১ এমএ মাহবুব উদ্দিন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ মো. বরকতউল্লা বুলু, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ফেনী-১ রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ জয়নাল আবদিন, ফেনী-৩ আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কক্সবাজার-২ আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফুর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এমএ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ মুশফিকুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-১ শাহাদাত হোসেন সেলিম, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, লক্ষ্মীপুর-৪ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহীম, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নুরুল ইসলাম নয়ন, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কিশোরগঞ্জ-১ মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ মো. জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৩ ড. ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৬ শরীফুল আলম, ময়মনসিংহ-৩ ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন, ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আবু ওয়াহাব আকন্দ, ময়মনসিংহ-৫ জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৭ ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, ময়মনসিংহ-৮ প্রকৌশলী লুৎফুল্লাহেল মাছেদ বাবু, ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, ময়মনসিংহ-১১ ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, চট্টগ্রাম-১ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মো. এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৪ জসিম উদ্দিন আহমেদ, বরিশাল-১ জহিরুদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ সরফুদ্দিন সরদার সান্টু, বরিশাল-৩ অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরিশাল-৪ রাজীব আহসান, বরিশাল-৫ মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান, বরগুনা-২ নুরুল ইসলাম মনি, পিরোজপুর-২ সুমন মঞ্জুর, পিরোজপুর-৩ আসনে রুহুল আমিন দুলাল, ঝালকাঠী-১ ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, ঝালকাঠি-২ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ নজরুল ইসলাম মন্ডল, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চাঁদ, দিনাজপুর-১ মো. মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ মো. সাদিক রিয়াজ পিনাক, দিনাজপুর-৩ সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৬ আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, জামালপুর -১ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর-২ এ,ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর- ৩ মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ মো. ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ এডভোকেট শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
বিএনপির মিত্র: ভোলা-১ আন্দালিব রহমান পার্থ (বিজেপি), পটুয়াখালী-৩ নুরুল হক নুর (গণঅধিকার), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ জোনায়েদ সাকি (গণসংহতি)।
স্বতন্ত্র: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, কুমিল্লা-৭ আতিকুল আলম শাওন, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, ময়মনসিংহ-১ সালমান ওমর রুবেল, এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।
জামায়াত: জামায়াতের ইসলামীর ফেসবুক পেজে ৬৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এরা হলেন- ১. মো. আনোয়ারুল ইসলাম (কুড়িগ্রাম-১), ২. মো. মাহবুবুল আলম (কুড়িগ্রাম-৩), ৩. মো. মোস্তাফিজুর রহমান (কুড়িগ্রাম-৪), ৪. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (কুমিল্লা-১১),৫. মো. আব্দুল গফুর (কুষ্টিয়া-২), ৬. মো. আমির হামজা (কুষ্টিয়া-৩), ৭. মো. আফজাল হোসেন (কুষ্টিয়া-৪), ৮. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (খুলনা-২), ৯. মো. আবুল কালাম আজাদ (খুলনা-৬), ১০. মো. মাজেদুর রহমান (গাইবান্ধা-১), ১১. মো. আব্দুল করিম (গাইবান্ধা-২), ১২. আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (গাইবান্ধা-৩), ১৩. মো. আব্দুর রহিম সরকার (গাইবান্ধা-৪), ১৪. মো. আব্দুল ওয়ারেছ (গাইবান্ধা-৫), ১৫. সালাহ উদ্দিন (গাজীপুর-৪), ১৬. শাহজাহান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), ১৭. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৬), ১৮. মো. কেরামত আলী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১), ১৯. মিজানুর রহমান (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), ২০. মো. নূরুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), ২১. মো. মাসুদ পারভেজ (চুয়াডাঙ্গা-১), ২২. মো. রুহুল আমিন (চুয়াডাঙ্গা-২), ২৩. মো. ফজলুর রহমান সাঈদ (জয়পুরহাট-১), ২৪. মো. মতিয়ার রহমান (ঝিনাইদহ-৩), ২৫. মো. আবু তালিব (ঝিনাইদহ-৪), ২৬. সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (ঢাকা-৪), ২৭. মোহাম্মদ কামাল হোসেন (ঢাকা-৫), ২৮. মো. এনায়াত উল্লা (ঢাকা-৭), ২৯. মো. সাইফুল আলম (ঢাকা-১২), ৩০. মীর আহমাদ বিন কাসেম (ঢাকা-১৪), ৩১. মো. শফিকুর রহমান (ঢাকা-১৫), ৩২. মো. আব্দুল বাতেন (ঢাকা-১৬), ৩৩. মো. এনামুল হক (নওগাঁ-২), ৩৪. মো. আব্দুস সাত্তার (নীলফামারী-১), ৩৫. আলফারুক আব্দুল লতীফ (নীলফামারী-২), ৩৬. ওবায়দুল্লাহ সালাফী (নীলফামারী-৩), ৩৭. আব্দুল মুনতাকিম (নীলফামারী-৪), ৩৮. মো. শফিকুল ইসলাম (পটুয়াখালী-২), ৩৯. মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (পাবনা-১), ৪০. মুহাম্মাদ আলী আছগার (পাবনা-৩), ৪১. মো. আবু তালেব মন্ডল (পাবনা-৪), ৪২. মাসুদ সাঈদী (পিরোজপুর-১), ৪৩. মো. মশিউর রহমান খান (বাগেরহাট-১), ৪৪. শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) (বাগেরহাট-২), ৪৫. মো. আব্দুল আলীম (বাগেরহাট-৪), ৪৬. মো. কামরুল হাসান (ময়মনসিংহ-৬), ৪৭. মো. তাজউদ্দীন খান (মেহেরপুর-১), ৪৮. মো. নাজমুল হুদা (মেহেরপুর-২), ৪৯. মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান. (যশোর-১), ৫০. মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (যশোর-২), ৫১. মো. গোলাম রছুল (যশোর-৪), ৫২. গাজী এনামুল হক (যশোর-৫), ৫৩. মো. মোক্তার আলী (যশোর-৬), ৫৪. মো. রায়হান সিরাজী (রংপুর-১), ৫৫. এ টি এম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২), ৫৬. মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) (রংপুর-৩), ৫৭. মো. গোলাম রব্বানী (রংপুর-৫), ৫৮. মো. নুরুল আমীন (রংপুর-৬), ৫৯. মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১), ৬০. মো. আব্দুল বারী সরদার (রাজশাহী-৪), ৬১. মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু (লালমনিরহাট-১), ৬২. মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (শেরপুর-১), ৬৩. মো. ইজ্জত উল্লাহ (সাতক্ষীরা-১), ৬৪. মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক (সাতক্ষীরা-২), ৬৫. হাফেজ মুহা. রবিউল বাশার (সাতক্ষীরা-৩), ৬৬. মো. রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪)।
জামায়াত জোট: কুমিল্লা-৪ হাসনাত আব্দুল্লাহ (এনসিপি), নোয়াখালী-৬ আব্দুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি), রংপুর ৪ আখতার হোসেন (এনসিপি), কুড়িগ্রাম-২ আতিকুর রহমান মোজাহিদ, নারায়ণগঞ্জ-৪ আবদুল্লাহ আল-আমিন ও ময়মনসিংহ-২ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদুল্লা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানান, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী পাঁচটি আসনে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীরা জয় নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া আরও আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।
ইসলামী আন্দোলন: বরগুনা-১ মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালিউল্লাহ।
এদিকে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়াই বৃহস্পতিবার শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯ আসনের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘেœ ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। একই সঙ্গে হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও তাদের রায় জানাতে পেরেছেন। সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে নানা ধরনের শঙ্কা ও উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থাকলেও সরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি), প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর অদম্য কঠোর অবস্থানের কারণে বড় ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটেনি। ইসির আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ২৯টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১৩৫ জন আহত হয়েছে।