নারীদের ভীত করার পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা দুই মেট্রোরেল পাচ্ছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা ৪৯তম বিসিএস বাদ পড়া ৪৬ জনের নিয়োগ সোমবার দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার কঠোর অবস্থান বিএনপির নানিয়ারচরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভা: মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স ঘোষণা বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় আওয়ামী লীগের পেতাত্মা বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে দুই সাংবাদিকের ওপর হাম... এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি

নারীদের ভীত করার পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে


মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন,আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষরা বুঝতে পারছে,জামায়াতের নারী কর্মীদের কর্মকাণ্ড প্রতিপক্ষের টোটাল কর্মকাণ্ডকে ছাপিয়ে যেতে পারে।তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আমাদের মহিলা (নারী) বিভাগ খুবই অ্যাক্টিভ। তারা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন, পুরুষ কর্মীদের মতো তারাও ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন। আমাদের অ্যাসেসমেন্ট হলো সারাদেশে জামায়াতের নারী সমর্থক বেশি, জামায়াতকে নারীরাই বেশি ভোট দেবেন, কারণ নারীরা শান্তিপ্রিয়। এজন্য সারাদেশে নারীদের তারা আক্রমণ করছে, হেনস্তা করার চেষ্টা করছে এবং তাদের ভীত করার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দিয়ে নির্বাচনে তথাকথিত বিজয়ের জন্য অগ্রসর হচ্ছে ।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় নির্বাচন ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, দেশের বহু জায়গায় তারা আমাদের নারীদের হুমকি দিচ্ছে, মারধর শুরু করেছে, কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ ও দখল করার মহড়া দিচ্ছে। প্রতিপক্ষ দলের প্রধান কৌশল এটা যে, তারা জানে জনপ্রিয়তার দিক থেকে জনগণের রায় পাওয়ায়র সম্ভাবনা কম। সুতারাং কেন্দ্র দখলই জেতার জন্য তাদের অন্যতম প্রধান মাধ্যম।নারীদের ওপর রাজনৈতিক কারণে হামলা করা হচ্ছে উল্লেখ করে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, যারা বেশি বেশি চিৎকার করে, নারীর অধিকার এবং স্বাধীনতার কথা বলে, তারাই বেশি রাজনৈতিক কারণে নারীদের ওপর হামলা করছে। আপনাদের রেডিও টেলিভিশন থেকে শুনছি, তারা বক্তৃতায় জিহবা কেটে দেওয়া ও জামায়াতকে ভোট দিলে হাত কেটে নেওয়ার হুমকিও দিচ্ছে।নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হলে তা দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয় তাহলে এটার রেজাল্ট যাই হোক, এটার ফলাফল দেশ এবং বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না। এত বড় আন্দোলনের পর নির্বাচন যদি গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানিয়ে জামায়াতের এ জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে জোর করে ক্ষমতায় গেলে আগের চেয়ে খারাপ অবস্থা হবে। এজন্য আমি সবাইকে অনুরোধ করবো দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে। কেউ যদি মনে করে জোর করে ক্ষমতায় গেলে সব শেষ হয়ে যাবে, এটা মারাত্মক ভুল।বলেন, নির্বাচনে যদি ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪- এর মতো হয় তাহলে এই নির্বাচণ গ্রহণযোগ্য হবে না। এভাবে কেউ যদি অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করে, তাদের সেটা দুঃস্বপ্ন হবে। জনগণ তাদের প্রতিরোধ করে আবার পতন ঘটাবে।সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের প্রমুখ।

Top