আড়াই যুগ পরে দাঁড়িপাল্লা পেয়ে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জে উচ্ছাস - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা দুই মেট্রোরেল পাচ্ছে ৫৮ হাজার কোটি টাকা ৪৯তম বিসিএস বাদ পড়া ৪৬ জনের নিয়োগ সোমবার দলে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবার কঠোর অবস্থান বিএনপির নানিয়ারচরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভা: মাদক ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স ঘোষণা বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় আওয়ামী লীগের পেতাত্মা বাবুল মোহরীর নেতৃত্বে দুই সাংবাদিকের ওপর হাম... এক পুলিশ কর্মকর্তা! পুলিশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের নেতিবাচক সব ধারণা পাল্টে দিচ্ছে হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি

আড়াই যুগ পরে দাঁড়িপাল্লা পেয়ে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জে উচ্ছাস


নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘ ত্রিশ বছর পর বরিশাল-৪ (হিজলা–মেহেন্দিগঞ্জ–কাজিরহাট) সংসদীয় আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছাসিত স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা। সবশেষ ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ভোটাররা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়। এতে বরিশাল-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পান ১০ দল সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল জব্বার। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের মিডিয়া সেলের আহবায়ক মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ বলেন, “১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম আমরা আবার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নির্বাচন করতে যাচ্ছি। দীর্ঘ সময় ছিল আমাদের জন্য অপেক্ষা ও বঞ্চনার। এবার জনগণের সামনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ ফিরে পেয়েছি, জনগণের বিজয় নিয়ে আমরা ঘরে ফিরব ইনশাআল্লাহ।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ বিরতির পর এ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রত্যাবর্তন আসন্ন নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিভিন্ন রাজনৈতিক শাসনামল প্রত্যক্ষ করায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীকে ঘিরে কৌতূহল ও আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি–জামায়াতসহ চারদলীয় জোট গঠিত হওয়ায় আসনটি জোটের প্রধান শরিক বিএনপিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ২০০৮ সালেও জোটের হয়ে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন করেন। ২০১৪ ও ২০২৪ সালে বিএনপি–জামায়াত জোট জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে। অন্যদিকে, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি–জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ও সাবেক বিএনপি নেতা নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর। এসব কারণে দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জের ভোটাররা ব্যালটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক দেখতে পাননি।

Top