ওসমান হাদি নির্ভীক থেকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে চেয়েছিল - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ফেসবুকের কাঠগড়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা—অভিযোগের আগে প্রমাণ কোথায়? কুমিল্লার প্রতিটি উপজেলায় গঠিত হবে ধর্ষণ প্রতিরোধ মঞ্চের কমিটি এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত জীবনযাত্রায় চাপ,দেশজুড়ে বাজার-গণপরিবহণে অস্থিরতা নতুন রাস্তা কেটে নালা দ্বিগুণ ব্যয়ে ডাস্টবিন

ওসমান হাদি নির্ভীক থেকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে চেয়েছিল


প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা :আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ওসমান হাদি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে চেয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানের পর অনেকই অনেক ভাবে সুবিধা নিয়েছে। কিন্তু ওসমান হাদি সৎ ও নির্ভীক থেকে ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে গিয়েছিল। যারা দেশের জন্য কাজ করে তারা সহজেই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারে। ওসমান হাদি তারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ। হাদির জানাজায় এতো মানুষের সমাগম বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল।গতকাল রোববার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কাঞ্চনে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ৭ম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।উপদেষ্টা শহীদ হাদির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আল্লাহ হাদিকে বেহেশতের সর্বোচ্চ জায়গায় স্থান দিবে। হাদি এই নস্যাৎ পৃথিবীর চেয়ে ভালো জায়গায় অবস্থা করছে বলে বিশ্বাস করি।

দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হামলাকারীর চেয়ে দেশে সৃষ্টিশীল মানুষের সংখ্যা বেশি। দেশে আত্ম ত্যাগকারী তরুণের সংখ্যা অনেক বেশি। বিগত ১৭ বছর দেশের আইন ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থাসহ অর্থনীতিকে নানা ভাবে ভঙ্গুর করে দিয়েছিল বিগত সরকার। ফলে ২৪ এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষ একটি শোষক গোষ্ঠি থেকে মুক্তি পেয়েছে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফয়েজ, মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, স্টেট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ডা. এ এম শামীম, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আক্তার হোসেন খাঁন প্রমুখ।সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি বিভাগের ৬৭২ জনকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ৩ জন শিক্ষার্থীকে চ্যান্সেলর’স গোল্ড মেডেল, ৪ জন শিক্ষার্থীকে ভাইস- চ্যান্সেলর সিলভার মেডেল এবং ২০জন শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

Top