সরকারি স্কুলে ভর্তিতে এবারও শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে লটারির মাধ্যমে - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাকায় ৭০% মানুষের নিজস্ব আবাসন নেই বিচার বিভাগে সরকারের হস্তক্ষেপে আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি প্রথমবারের মতো ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিচ্ছে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, যৌন হয়রানি ও রাজনীতিতে শিক্ষকদের জড়িয়ে পড়াসহ শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা সংকটে দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিরতা দেখতে চায় না বিএনপি ১২ কেজি এলপিজির সিলিন্ডার এক লাফে ১৮৩৭ টাকা বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজে গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অনির্বাচিতদের কবজায় যাচ্ছে হাজার ইউপি,নির্ধারিত সময়ে ভোট না হওয়া নিয়ন্ত্রণহীন চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার,নিষ্ক্রিয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গায়ে হাত তোলার দাবি, কিন্তু ঘটনাস্থলে নেই ক্যামেরা,মামলার এজাহার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন

সরকারি স্কুলে ভর্তিতে এবারও শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে লটারির মাধ্যমে


আলোকিত বার্তা:সরকারি স্কুলে ভর্তিতে এবারও শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে লটারির মাধ্যমে। লটারি প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তাপূর্ণ হওয়ায় ভালো স্কুল পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় থাকেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। লটারির মাধ্যমে ভর্তিকে ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতা’ কমানোর মাধ্যম বলা হলেও রয়েছে কোটা পদ্ধতি।এ কোটা পদ্ধতি বহাল থাকায় অসহায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।প্রকাশিত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, এবারও সরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তিতে ৬৮ শতাংশ কোটা বণ্টন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। এ নিয়ে আপত্তি রয়েছে অনেক অভিভাবকের। বিশেষ করে যারা কর্মসূত্রে ঢাকায় অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন, তারা এ কোটা পদ্ধতি বাতিল চান।তবে শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি, বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তি এড়াতে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা রাখা হয়। এতে শিশুরা নিজের আশপাশের এলাকার বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পায়। বাকি অন্য কোটা খুবই কম।ভর্তি নীতিমালায় দেখা গেছে, মোট শূন্য আসনের ৪০ শতাংশ ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা। অর্থাৎ, স্কুলের আশপাশের এলাকার বাসিন্দা যারা, তাদের সন্তানদের জন্য এ কোটা রাখা হয়। এ কোটায় ভর্তির জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলের কার্যালয় থেকে প্রত্যয়নপত্র নিতে হয়। অনেক সময় যারা ভাড়াটিয়া, তাদের এ প্রত্যয়নপত্র নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

রাজধানীর বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম গত বছর এ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছিলেন বলে জানান। তিনি বলেন,এ কোটার ক্ষেত্রে অনেকে অনলাইনে জালিয়াতি করেন। ভিন্ন এলাকার বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও অনলাইন আবেদনের সময় ক্যাচমেন্ট এরিয়া সুবিধাজনক এলাকা দেন। সন্তান লটারিতে টিকে গেলে তখন মোটা অংকের টাকা দিয়ে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে নেন। এটা এক ধরনের জালিয়াতি।ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী বাকি যে ২৮ শতাংশ কোটা রয়েছে তার মধ্যে বীর ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ। এছাড়া, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য এক শতাংশ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ১০ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ২ শতাংশ, অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর যমজ ও সহোদর ভাই-বোনরা ৫ শতাংশ কোটায় সংরক্ষিত আসনে ভর্তির সুযোগ পাবে।তাছাড়া দূর থেকে বদলি হয়ে আসা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানের জন্য ৫ শতাংশ আসন কোটায় সংরক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি কোটা সুবিধা নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবে সরকারি হাইস্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানরাও।এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার দুজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে তারা এ নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তাদের মধ্যে একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘যদিও আমি শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা, তারপরও আমার মনে হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য যে কোটা রাখা হয়েছে, সেটার প্রয়োজন নেই। যদিও সেটা খুবই অল্প। আর ক্যাচমেন্ট এরিয়ার বিষয়টি নিয়ে অনেক আলোচনা রয়েছে। এক্ষেত্রে নিয়ম কঠোরভাবে মানা হলে এ কোটায় তেমন ক্ষতি নেই।মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক এ বি এম রেজাউল করীম বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে সভা করে এ নীতিমালা ঠিক করা হয়। যদি এতে কোনো আপত্তি থাকে বা ভবিষ্যতে ওঠে, তাহলে মন্ত্রণালয় আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেবে। এবার যে নীতিমালা প্রকাশ হয়েছে, সে অনুযায়ী লটারির মাধ্যমে ভর্তি করানো হবে।

Top