সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে চলমান সহিংসতায় ৩২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটিবির ৯ কর্মকর্তাকে বদলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে ‘ক্রসফায়ার’ বিপজ্জনক বার্তা ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যের জেরে আইজিপির অপসারণ দাবি এনসিপির আইজিপির বক্তব্যের প্রতিবাদ জামায়াতের, ক্ষমা চাইতে বলল শিবির নামে পার্থক্য, চরিত্রে এক বিএনপি ও আওয়ামী লীগ বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছেই টিআইবিসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নিন্দা প্রত্যাহার দাবি,আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব... ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার স্থানীয় সরকারে অবিশ্বাস্য দুর্নীতি,আওয়ামী আমলের আমলনামা : তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন কর অঞ্চল-১২ এর সাবেক উপ কর কমিশনার হাফিজুলের বি'রু'দ্ধে নিয়োগ জা'লিয়া'তির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে চলমান সহিংসতায় ৩২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে


আলোকিত বার্তা:সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে চলমান সহিংসতায় ৩২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।এত শিশুর মৃত্যুতে উদ্বেগ জানিয়ে ইউনিসেফের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক সঞ্জয় উইজেসেকেরা বলেছেন, সব সময় শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।এটা সবার দায়িত্ব।আজ শুক্রবার ইউনিসেফের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন সঞ্জয় উইজেসেকেরা।বিবৃতিতে সঞ্জয় আরও বলেন, জুলাই মাসে আন্দোলনের সময় অন্তত ৩২ শিশু প্রাণ হারিয়েছেন বলে নিশ্চিত হয়েছে ইউনিসেফ। এ ছাড়া আরও অনেক শিশু আহত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে অনেক শিশু আটক হয়েছে বলেও জানায় তারা।

গত এক সপ্তাহ বাংলাদেশে কাটিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন জানিয়ে এই ইউনিসেফ কর্মকর্তা যোগ করেন, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও চলমান অস্থিরতার যে প্রভাব শিশুদের ওপর পড়ছে, তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।সঞ্জয় উইজেসেকেরা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন, বাংলাদেশের স্বাক্ষর করা জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ এবং আটক করা হলে শিশুদের ওপর যে প্রভাব পড়ে,তা নিয়ে গবেষণার ভিত্তিতে ইউনিসেফ শিশুদের যেকোনো ধরনের আটক বন্ধের আহ্বান জানায়।এর অর্থ হলো কোনো স্থানে শিশুদের উপস্থিতি বা তাদের পূর্বের ইতিহাস, ধর্ম এবং তাদের পরিবারের কর্মকাণ্ড বা মতাদর্শের জন্য শিশুদের গ্রেপ্তার বা আটক করা যাবে না।সহিংসতার প্রভাব থেকে শিশুদের বের করে আনা এবং তাদের নিরাপদে রাখতে স্কুলগুলো খুলে দেওয়া এবং বন্ধুবান্ধব ও শিক্ষকদের সঙ্গে তাদের আবার মিলিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা সবচেয়ে ভালো উপায় হতে পারে বলে উল্লেখ করেন উইজেসেকেরা।

Top