ভুল চাহিদায় নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের জন্য সুখবর - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
স্বার্থান্বেষী মহলের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটি এর প্রকৌশলী মামুন উর রশিদ বরিশালের ‘বিউটি সিনেমা হল’ জমি ঘিরে কোটি টাকার বিরোধ রিকশাচালকের ব্যানারে ‘গুপ্ত’ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগ-শ্রমিক লীগ, মজদুর লীগ ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু,নির্দেশিকা উপেক্ষিত সরকারি টানা পাঁচ দিন ছুটি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এখন থেকে লটারির মাধ্যমে বদলি কিংবা পদায়ন করা হবে খেলাপি ঋণ উদ্ধারে পাঁচ বছরের রোডম্যাপ,ব্যাংকিং খাতে মহাসংকট গডফাদাররা কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে,দেশজুড়ে বিস্তৃত মাদকের সাম্রাজ্য ছোট ভুলে বড় ক্ষতি বিএনপির,ম্লান হচ্ছে ইতিবাচক উদ্যোগ

ভুল চাহিদায় নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের জন্য সুখবর


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া :চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভুল চাহিদায় যারা ভুল পদ পেয়েছিলেন তাদেরকে পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তি থেকেই প্রতিস্থাপন করা হতে পারে।শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এনটিআরসিএ সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।জানতে চাইলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন বলেন, প্রতিস্থাপনের জন্য একটা মিটিং হয়েছে এবং যারা প্রতিস্থাপনের যোগ্য তাদের একটি তালিকা হয়েছে। পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তির প্রাথমিক সুপারিশের পর যে পদগুলো থাকবে সেগুলো থেকে এদের জন্য পদ পাওয়া যাবে।কারণ অনেক পদ শূন্য।এর আগে চতুর্থ নিয়োগচক্রে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও ভুল চাহিদার কারণে নিয়োগবঞ্চিতরা অন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের দাবিতে কর্মসূচি পালন করেন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএকে স্মারকলিপি দেন।

ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জানান, চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে গত ২০ অক্টোবর প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩২ হাজার ৪৮০ জনের মধ্য থেকে ২৭ হাজার ৭৪ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগদানের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয় কিন্তু কয়েক শতাধিক শিক্ষক পদপ্রত্যাশী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরেও প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনীহা ও প্যাটার্ন জটিলতার জন্য যোগদান করাননি কিংবা যোগদান করালেও এমপিওবঞ্চিত।তারা জানান, প্রতিষ্ঠান প্রধান যদি ভুল না করতেন তাহলে কোনো একটা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত হতাম। চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভুলের কারণে আমরা আজ পরিবার, সমাজের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে অপমানিত ও লজ্জিত হচ্ছি এবং পরিবার নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন বলেও দৈনিক আমাদের বার্তাকে জানান তারা।

Top