বারবার বাড়ে প্রকল্পের মেয়াদ, খরচ বাড়ে শত শত কোটি টাকা - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
এক শক্তিশালী সিন্ডিকেটের লুটপাটের ময়দানে পরিণত হয়েছে বিআরটিসি কোটি কোটি টাকা লোপাট চলছে দুদকে অভিয... বরিশালে ডাঃ তহুরার হাতে বলি হলো উদীয়মান উদ্যোক্তা নাজিয়া মাইশা পে ফিক্সেশনের পর তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ চাপের আহ্বান বাংলাদেশের ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত জীবনযাত্রায় চাপ,দেশজুড়ে বাজার-গণপরিবহণে অস্থিরতা নতুন রাস্তা কেটে নালা দ্বিগুণ ব্যয়ে ডাস্টবিন এক ঢিলে দুই পাখি শিকারের চেষ্টা ,সারা দেশ,রাজধানীসহ কড়া নজরদারি পুলিশের ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজারে শুল্ক না কমিয়ে দাম বৃদ্ধির পথেই হাঁটল সরকার

বারবার বাড়ে প্রকল্পের মেয়াদ, খরচ বাড়ে শত শত কোটি টাকা


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া : তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে নির্বাচিত বেসরকারি কলেজসমূহের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন হয় ২০১২ সালের জুলাইয়ে। প্রকল্পের আওতায় সংস্থান আছে ঢাকা সেন্ট্রাল উইমেন্স কলেজে আটতলা ভবন নির্মাণের। প্রকল্পের উদ্দেশ্য কলেজসমূহে বর্ধিতহারে ভৌত সুবিধা এবং শিক্ষা উপকরণ অর্জন করা। এছাড়া একাডেমিক ভবন, ইন্টারনেট সুবিধাসহ কম্পিউটার ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফার্নিচার ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ দেওয়াও উদ্দেশ্য।সরকারি ও বেসরকারি কলেজসমূহের মধ্যকার ভৌত অবকাঠামোগত সুবিধার পার্থক্য কমানো, পুরো বাংলাদেশের উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা স্তরে শিক্ষার সুযোগের ভারসাম্য এবং সমবণ্টন নিশ্চিত করা। জেলা ও উপজেলা সদরে অবস্থিত কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির অতিরিক্ত চাপ কমানো। নভেম্বর, ২০২২ পর্যন্ত, এক দশক পেরিয়ে, প্রকল্পের ক্রমপুঞ্জিত আর্থিক অগ্রগতি ৭৭ শতাংশ। অথচ শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৭ সালের জুনে।

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর চার ধাপে ডিসেম্বর, ২০২২ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয় সময়। এখন নতুন করে আরও দুই বছর, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে উত্তর দিতে রাজি হননি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখা) আনিকা রাইসা চৌধুরী।এভাবে একের পর এক প্রকল্পে আসছে মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব। এতে বাড়ছে ব্যয়। সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জনগণ।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের ছয় মাস না যেতেই পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে (আইএমইডি) মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে চলমান ১৭৫ প্রকল্পের। চলতি অর্থবছর আটটি একনেক সভায় ২৪টি প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় একসঙ্গে বাড়ানো হয়। ফলে একদিকে সরকারের অর্থের অপচয় হয়, অন্যদিকে সুফল থেকে বঞ্চিত হয় সংশ্লিষ্টরা।

তবে বৈশ্বিক মন্দা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বার বার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে কঠোর হচ্ছে আইএমইডি।আইএমইডি সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব এলেই অনুমোদন নয়। আমরা এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে যাবো। কেন প্রকল্প ডিলে (দেরি) হচ্ছে, কে দায়ী? এ বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখবো।তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো সঠিক সময়ে প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করে সুফল দিতে হবে। বার বার মেয়াদ বৃদ্ধি নয়। কারণ মেয়াদ বৃদ্ধি মানেই টাকা বৃদ্ধি করতে হয়। বড় প্রকল্প দ্রুত অর্থায়ন করে শেষ করবো। যেগুলো শুরু করা হয়নি, দরকার হয় পরের বছরে অর্থ বরাদ্দ দেবো। সময় মতো প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে।

আরও পড়ুন...
Top