‘গণহত্যা’র স্বীকৃতি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা নির্যাতনকে - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিশ্বের শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ ছাত্রদলের হামলায় সমকাল-ডেইলি স্টার-বিডিনিউজের সাংবাদিকসহ আহত ১০,কিন্তু পুলিশও ভয়ে পালিয়ে গেছে ঢাকায় ৭০% মানুষের নিজস্ব আবাসন নেই বিচার বিভাগে সরকারের হস্তক্ষেপে আখতারুজ্জামানের জামিন হয়নি প্রথমবারের মতো ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিচ্ছে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, যৌন হয়রানি ও রাজনীতিতে শিক্ষকদের জড়িয়ে পড়াসহ শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা সংকটে দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিরতা দেখতে চায় না বিএনপি ১২ কেজি এলপিজির সিলিন্ডার এক লাফে ১৮৩৭ টাকা বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজে গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অনির্বাচিতদের কবজায় যাচ্ছে হাজার ইউপি,নির্ধারিত সময়ে ভোট না হওয়া

‘গণহত্যা’র স্বীকৃতি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা নির্যাতনকে


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া:রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর নির্যাতনকে গণহত্যা ঘোষণা করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (২১ মার্চ) ওয়াশিংটনে হলোকাস্ট মিউজিয়াম পরিদর্শনকালে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এই ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।২০১৭ সালে রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত নির্যাতন শুরু করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। গণহত্যা শুরুর প্রথম মাসেই হত্যা করা হয় ছয় হাজারের বেশি মানুষকে।এসময় প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আর তার আগে থেকেই ছিল আরও তিন লাখের বেশি। অর্থাৎ এ পর্যন্ত ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ।রোহিঙ্গা নির্যাতনের অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে গাম্বিয়া। সেই সময় মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী।

১৪ মাস আগে জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর রোহিঙ্গা ইস্যুটি পুনর্বিবেচনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন। যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়ে আগে দুবার তদন্ত করলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। এবার সেটিকে গণহত্যা ঘোষণা করতে যাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।অবশ্য গণহত্যা ঘোষণা দিলেই যুক্তরাষ্ট্র শাস্তিমূলক পদক্ষেপের দিকে যাবে তা নিশ্চিত হওয়া নয়। তবে আশা করা হচ্ছে, এটি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, এটি মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার আরও কঠিন করে তুলবে।এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Top