করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া হবে - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস শীতের আয়ুও কম হতে পারে,কমবে তীব্রতা,এবার শীত দেরিতে পনেরো বছরের দীর্ঘমেয়াদি ইজারা বা কনসেশন চুক্তি সন্দেহজনক লেনদেন ও রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪ শতাংশ ছাদভিত্তিক সর্ববৃহৎ সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনে চুক্তি করল যমুনা গ্রুপ ভাড়ায় খাটে দুর্ধর্ষ ডাকাতরা,শাহজালাল বিমানবন্দর ঘিরে অপরাধ দুর্নীতির বরপুত্র বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা কে ... প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ কঠিন শর্তে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার

করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া হবে


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া:করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।তিনি বলেছেন, আমরা সারাক্ষণই করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যদি আমাদের মনে হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য ক্লাস কমাতে হবে, কমিয়ে দেব। বন্ধ করার প্রয়োজন হলে বন্ধ করে দেব।সোমবার সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।দেশে সক্রমণের হার এখনও নিম্নগামী জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে এখনও আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। করোনা সংক্রমণের হার শতকরা ৩ এর কম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সারাক্ষণই করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।দীপু মনি আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতে মার্চ মাসে এদেশে সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে। তাই মার্চ মাস না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে সেটা বোঝা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মানলে আমরা সংক্রমণ কম রাখতে পারব। এরইমধ্যে কয়েকজনের দেহে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। তাই আমাদের খুবই সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

এদিকে মার্চ-এপ্রিলে আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম।সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) সঙ্গে এক মতবিনিমিয়সভায় তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, মার্চ-এপ্রিলে আবার বাড়তে পারে করোনার সংক্রমণ। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা পর্যায়ে হাসপাতালের পুরো প্রস্তুতি জানুয়ারিতে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।তিনি বলেন, দু’একদিনের মধ্যেই বুস্টার ডোজের বয়সসীমা কমানো হবে। এসএমএস ছাড়াও ৬০ বছরের কম বয়সি কো-মরবিডিটি রোগীরা আগের কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে তাদের রোগের প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ থাকতে হবে।

Top