ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন-২০২০’ নামে বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ প্রতিবাদ শিরোনামে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি’ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বরিশাল ইইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরূদ্ধে নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ও উদ্বেগ ... নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ...

ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন-২০২০’ নামে বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।


আলোকিত বার্তা:ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার সময়সীমা ৩০ থেকে ৬০ দিন করে ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন-২০২০’ নামে বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।রোববার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। নতুনদের ভোটার হওয়ার সুযোগ, বিদেশে থাকা ভোটারদের সুযোগ সৃষ্টি, ভোটার যাচাই বাচাই প্রক্রিয়ার সময় বাড়ানো ও মৃতদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়ার সুবিধা নিশ্চিত করতে এ সময়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বিলটি পাসের আগে এটি জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেন সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সংসদ সদস্যরা। যদিও তা নাকচ হয়ে যায়।
পাস হওয়া বিলে ভোটার তালিকা আইনের ১১ ধারার ১ উপ-ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে জাতীয় ভোটার দিবসের সঙ্গে মিল রেখে কম্পিউটার ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিদ্যমান ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময়সীমা প্রতিবছর ২-৩১ জানুয়ারির পরিবর্তে ২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চ করা হয়েছে।গত ২০ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিলটি পাসের সুপারিশ করে গত ২৩ জানুয়ারি সংসদে প্রতিবেদন জমা দেয়। বিলটি রাষ্ট্রপতির সম্মতির পরে আইনে পরিণত হবে।

Top