নির্বাচন কমিশনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার যে মন্তব্য - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
অনিয়ম দুর্নীতিতে জর্জরিত বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলঃ দুদকে অভিযোগ প্রতিবাদ শিরোনামে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি’ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বরিশাল ইইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরূদ্ধে নিজেই ঠিকাদারী করার অভিযোগ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ও উদ্বেগ ... নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ...

নির্বাচন কমিশনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার যে মন্তব্য


আলোকিত বার্তা:নির্বাচন কমিশনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার যে মন্তব্য করেছেন সে বিষয়ে নিজের কোনো জ্ঞান নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য প্রসঙ্গে সচিব বলেন, নির্বাচনে কী শর্ত পূরণ হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়, কী শর্ত পূরণ না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয় না তা জানা যায়। কিন্তু কমিশনের লেভেল ফিল্ড বলতে কী বুঝাতে চেয়েছেন তা জানি না। আমার এ জ্ঞান নেইরোববার বিকালে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মো. আলমগীর বলেন, পাঁচজন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত। তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। অনেক সময় অনেক বিষয়ে একমত হন, আবার অনেক সময় দু’ একজনের দ্বিমত থাকে, আবার এক হয়। তা না হলে এত সুন্দরভাবে নির্বাচন হচ্ছে কীভাবে?অনেক জায়গায় অনেক নির্বাচন হয়েছে। কখনও কী কমিশনের গণ্ডগোলের কারণে, সিদ্ধান্তহীনতার কারণে নির্বাচন হয়নি বা পিছিয়ে গেছে। ইসির কাজ-কর্ম সব ঠিকমতো চলছে।মাহবুব তালুকদারকে দুই রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্য না দেয়া প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, একজন নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তথ্য চাইলে তা দিতে বাধ্য। তা হবে কমিশনের মাধ্যমে। তারা সরাসরি একজন কমিশনারের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নয়। সবকিছু কমিশনের মাধ্যমে হবে। কমিশন সভায় কি আলোচনা হবে তা কমিশন ঠিক করে। কমিশন সচিবালয় তা নথিভুক্ত করে এবং তা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে পাঠায়।

সিইসি তা অনুমোদন দিলেই ওই বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে কমিশন সচিব হিসেবে আমার বলার কিছু নেই।ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের আচরণ বিধি লংঘনের ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে না পারার পর এখন তা সংশোধনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর।আচরণ বিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক পরিবেশে বিবেচনায় এগুলোর হয়তো কিছু রিভিউ করার প্রয়োজন হতে পারে। আমিও তা মনে করি। তবে যদি তা কমিশন মনে করে।
আচরণ বিধি সংশোধনের আরও যৌক্তিকতা তুলে ধরে সচিব বলেন, শুধু নির্বাচনের সময় কেন, অন্যান্য সময়ে কোনো দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের হয় তখন পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে দেয় না? আমাদের দেশে রাস্তা ন্যারো, মানুষ বেশি। ঘটনাগুলো ইচ্ছা করে ঘটে তা নয়, অনেকটা বাস্তবতা। বাস্তবতার দৃষ্টিতে বিবেচনা করলে তা কঠিন।নির্বাচনী সহিংসতার বিষয়ে তিনি বলেন, ইশরাকের ওপর হামলার ঘটনা এখনও আমি জানি না। এ ঘটনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে গেলে তা খতিয়ে দেখবে। আর রিপোর্ট কমিশনের কাছে আসলে তখন ব্যবস্থা নেবে। কেউ ফৌজদারি অপরাধ করলে সেভাবে বিচার হবে। তবে কমিশন কাউকে জেল-ফাসি দিতে পারে না। প্রার্থিতা বাতিল করতে পারে।

Top