শেখ মুজিবুর রহমানকে মরণোত্তর ‘ডক্টর অব ল’ সম্মাননা দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা

শেখ মুজিবুর রহমানকে মরণোত্তর ‘ডক্টর অব ল’ সম্মাননা দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


আলোকিত বার্তা:জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মরণোত্তর‘ডক্টর অব ল’সম্মাননা দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।মুজিববর্ষে(২০২০) বঙ্গবন্ধুকে এ সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তন উপলক্ষে শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সম্মাননা ডিগ্রি ‘ডক্টর অব ল’ প্রদান করার জন্য অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে এর ঘোষণা দেওয়া হয়নি। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘মুজিববর্ষ ২০২০’-তে মরণোত্তর ‘ডক্টর অব ল’ সম্মাননা ডিগ্রি প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী বছর তারিখ ঠিক করে তাকে মরণোত্তর এই সম্মাননা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের অধিকারের জন্য আন্দোলন করলে কারণ দর্শানোর কোনো নোটিশ ছাড়াই ১৯৪৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয় তাকে। দীর্ঘ ৬১ বছর পর ২০১০ সালের ১৪ আগস্ট তার বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট।

Top