তিস্তা চুক্তি ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক যে সব বিষয় এখনও অমীমাংসিত,তা নিয়েই মমতার সঙ্গে কথা বলবেন - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
মাদক ও সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওবাসী দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের অপেক্ষায় রয়েছে রাজধানীর ফুটপাত ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়,সড়কের ফুটপাত কারো না কারো দখলে থাকছে ইস্টার্ন ব্যাংকের ঋণে গ্যারান্টর জালিয়াতি সুস্পষ্ট লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা,চার দিন বৃষ্টির আভাস বন্ধ হচ্ছে সামিটের তিন বিদ্যুৎকেন্দ্র সাইবার সুরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের প্রস্তাব উচ্চকক্ষ থেকে ডিসেম্বর কে টার্গেট করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা চরামদ্দিতে বিধবার দুটি কাঁঠালগাছ কাটার অভিযোগ বিএনপি সভাপতির বিরুদ্ধে

তিস্তা চুক্তি ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক যে সব বিষয় এখনও অমীমাংসিত,তা নিয়েই মমতার সঙ্গে কথা বলবেন


আলোকিত বার্তা:বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ দেখতে এক দিনের সফরে আজ কলকাতা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সফরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের কথা রয়েছে।তবে এ বৈঠকে তিস্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।জানা গেছে,তিস্তা চুক্তি ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক যে সব বিষয় এখনও অমীমাংসিত,তা নিয়েই মমতার সঙ্গে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে মমতা জানান,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনবার আমার দেখা হবে। দুপুরে ইডেনে, সন্ধ্যায় তাজ বেঙ্গল হোটেলে, পরে আবার ইডেনে— সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিস্তা চুক্তির বিষয়টি সম্ভবত হাসিনা উত্থাপন করবেন না।

সূত্র জানায়,তিস্তা নিয়ে মোদী সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ঢাকা।এ বিষয়ে সহমত তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে কয়েক মাস আগে হাসিনার দিল্লি সফরের সময় আশ্বস্ত করে ভারত।তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন,পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে কোনও চুক্তি তিনি চান না।
মমতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মধুর সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে,সেই আন্তরিকতাকে আরও বাড়িয়ে তোলাই হাসিনার উদ্দেশ্য। তাই সৌজন্যের আবহ রেখেই দুই নেত্রী কথা বলবেন।

তবে,কলকাতায় বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত বাড়িগুলো এবং কলকাতায় স্বাধীন বাংলা সরকারের সদর দফতর বলে চিহ্নিত বাড়ি সংরক্ষণের প্রস্তাব দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী বছর বঙ্গবন্ধুর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। প্রধানমন্ত্রী চান, বঙ্গবন্ধুর স্মারক ভবনগুলোর সঙ্গে ওই বাড়িটিও সংরক্ষণ করে প্রদর্শনশালা করা হোক।

Top