জাতিসংঘের মাধ্যমে এসব অর্থ না দিলেও বাংলাদেশ সরকার এসডিজি একাই বাস্তবায়ন করবে। - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ

জাতিসংঘের মাধ্যমে এসব অর্থ না দিলেও বাংলাদেশ সরকার এসডিজি একাই বাস্তবায়ন করবে।


আলোকিত বার্তা:টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা(এসডিজি)বাস্তবায়নে বড় দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করেনি।জাতিসংঘের মাধ্যমে এসব অর্থ না দিলেও বাংলাদেশ সরকার এসডিজি একাই বাস্তবায়ন করবে।একা বাস্তবায়নের মতো অবস্থা বাংলাদেশের আছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।আজ সোমবার(২৮ অক্টোবর)বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ইংরেজি দৈনিক বাংলাদেশ পোস্ট আয়োজিত ‘এসডিজি অর্জনে প্রতিবন্ধকতা’শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এসব মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।এম এ মান্নান বলেন,এসডিজি আমাদের খুবই প্রয়োজন।আমরা ভালো ফল পাচ্ছি।আমাদের সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা প্রতিনিয়ত বাড়তি সম্পদ এতে ব্যয় করব। এসডিজি বাস্তবায়নে কেউ এলে ভালো,না এলে আমরা একাই চালিয়ে যাব।একা চালিয়ে যাওয়ার মতো সঙ্গতি আমাদের আছে।

জাতিসংঘের এই চুক্তির মাধ্যমে বড় দেশগুলো আর্থিক সহযোগিতার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল,সেই মাত্রায় সহযোগিতা আসেনি। এটা আজ প্রথম নয়, এর আগে কয়েকবার বিশ্বজনীন প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা,সেটা দিতে বাধ্য করতেও জাতিসংঘ ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সময় প্রথম শিকারে পরিণত হয় প্রকৃতি; জমি,জমির নিচের সম্পদ, গাছপালা ইত্যাদি। এটা যদি আরও এভাবে চলে তাহলে আশ্রয়, হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়বে বলেও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।তিনি বলেন,ইতোমধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টা আমাদের সামনে চলে এসেছে।প্রকৃতির কিছু কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন আমরা লক্ষ্য করছি।এগুলো মোকাবেলার জন্য আমরা এমন উন্নয়ন চাই,যেগুলো টেকসই হবে। যে উন্নয়ন প্রকৃতিকে খেয়ে মোটাতাজা হয়,সেই উন্নয়ন নয়।যে উন্নয়ন প্রকৃতিকে রক্ষা করে হবে।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হক, সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জমির, বাংলাদেশ পোস্টের সম্পাদক শরীফ শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

Top