চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪৯৬টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
যানজট নিরসনে ঢাকায় হবে ১৭টি মনোরেল তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এড়াতে সম্ভাব্য বিভিন্ন পদ্ধতি পর্যালোচনা করছে তড়িঘড়ি করে আবারও সংশোধনী এনে গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে,তিন লাখ কপি ছাপার পর ধরা পড়ল গুরুতর ত্রুট... গ্রামে শিক্ষকের হাহাকার,ঢাকায় ৭শ অতিরিক্ত শিক্ষক, দিন কাটে আড্ডায়,ক্লাস নেই,সিনিয়র শিক্ষকরা সপ্তাহে ... গন্তব্য হতে হবে মেড ইন বাংলাদেশ,আড়াইহাজার থেকে মাতারবাড়ী বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ এফডিআই গতি নেই, কমছে নতুন বিনিয়োগ,বিদেশি সহায়তায় নয়, নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ! আওয়ামী লীগ ৭২ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করে, স্বাধীন দেশে ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে তারা খুন করেছে সরকার ক্রসফায়ার চায় না, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি কোনো নির্দেশনাই মানছে না এয়ারলাইন্সগুলো

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪৯৬টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।


আলোকিত বার্তা:সোমবার(৭ অক্টোবর)বিশ্ব শিশু দিবস।প্রতিবছর অক্টোবরের প্রথম সোমবার বিশ্ব শিশু দিবস পালন করা হয়।এ উপলক্ষ্যে অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি)ও বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের উদ্যোগে যৌথভাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৪৯৬টি শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে।আর ২০১৮ সালে পুরো একবছরে ধর্ষণের শিকার হয় ৫৭১টি শিশু।গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে দেশে শিশু ধর্ষণ বেড়েছে ৪১ শতাংশ,যা আশঙ্কাজনক।শিশু হত্যা, ধর্ষণ ও গৃহকর্মী শিশুর ওপর অত্যাচার বেড়েই চলছে।

বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষ্যে রবিবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ‘শিশু অধিকার ও বর্তমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন এএসডির ডিসিএইচআর প্রজেক্টের ব্যবস্থাপক ইউকেএম ফারহানা সুলতানা। এছাড়া এএসডি নির্বাহী পরিচালক জামিল এইচ চৌধুরী, শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক আবদুছ সহিদ মাহমুদ, এএসডি’র কর্মকর্তা লুৎফুন নাহার কান্তা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়,নির্যাতন করার পরও অপরাধিদের আইনের আওতায় না আনার কারণেই শিশু ধর্ষণের ঘটনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। একের পর এক শিশু ধর্ষণের মতো পৈশাচিক ঘটনা ঘটছে।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না হওয়া, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হলেও আইনের ফাঁক-ফোকর থাকা, বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় অপরাধীরা জামিন নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণের ঘটনা যখন ঘটে তখন শিশুর অভিভাবকরা সম্মান হারানোর ভয়ে এবং প্রভাবশালীদের চাপে পড়ে মামলা করে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দরিদ্র অভিভাবকের পক্ষে দীর্ঘদিন মামলা চালিয়ে নেয়াও সম্ভব হয় না। সামগ্রিক কারণে সমাজে শিশু ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে।অনুষ্ঠানে বলা হয়, দেশে ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা ১.২৮ মিলিয়ন। বিভিন্ন গবেষণা হতে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে মোট গৃহকর্মীর সংখ্যা ২ মিলিয়ন। এর মধ্যে চার লাখ বিশ হাজার শিশু গৃহকাজে জড়িত যার ৮৩ শতাংশই মেয়ে শিশু।

Top