এই হাল হলো কী করে!কোথায় যাচ্ছে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা! - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
যানজট নিরসনে ঢাকায় হবে ১৭টি মনোরেল তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এড়াতে সম্ভাব্য বিভিন্ন পদ্ধতি পর্যালোচনা করছে তড়িঘড়ি করে আবারও সংশোধনী এনে গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে,তিন লাখ কপি ছাপার পর ধরা পড়ল গুরুতর ত্রুট... গ্রামে শিক্ষকের হাহাকার,ঢাকায় ৭শ অতিরিক্ত শিক্ষক, দিন কাটে আড্ডায়,ক্লাস নেই,সিনিয়র শিক্ষকরা সপ্তাহে ... গন্তব্য হতে হবে মেড ইন বাংলাদেশ,আড়াইহাজার থেকে মাতারবাড়ী বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ এফডিআই গতি নেই, কমছে নতুন বিনিয়োগ,বিদেশি সহায়তায় নয়, নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ! আওয়ামী লীগ ৭২ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করে, স্বাধীন দেশে ১০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে তারা খুন করেছে সরকার ক্রসফায়ার চায় না, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি কোনো নির্দেশনাই মানছে না এয়ারলাইন্সগুলো

এই হাল হলো কী করে!কোথায় যাচ্ছে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা!


আলোকিত বার্তা:বেশ আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়েছি।এখন আর যাওয়া হয় না। সঙ্গত কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর খবরও তেমন আর রাখা হয় না। এরপরও যেসব খবর আসে,তাতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবনমন দেখে ঘৃণা হয়।আমরাও শিক্ষার্থীদের পড়িয়েছি।শিক্ষকরাও আমাদের পড়িয়েছেন।কিন্তু এমন পরিস্থিতি তো দেখিনি।এই হাল হলো কী করে!কোথায় যাচ্ছে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা!এমন অভিযোগ উপমহাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের।অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক ২০০৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়ারের জন্য মনোনীত হন এবং দায়িত্ব পালন করেন।এর আগে তিনি দীর্ঘকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন।সম্প্রতি দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের দুর্নীতি এবং ক্যাম্পাসের অস্থিরতা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয় এই লেখকের কাছে।

সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন,শুধু উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েই তো সব অভিযোগ করলে শেষ নয়।স্কুল-কলেজেও তো সর্বনাশ ঘটে গেল।এটি তো শিক্ষার সার্বিক অবনমন। তার মানে শিক্ষার মান আর উচ্চপর্যায়ে যাওয়ার অবকাশ নেই। ক্রমশই নামতে শুরু করেছে।এ ভাবনাগুলো আর ভাবতে পারি না। বড় কষ্ট হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের স্বেচ্ছাচারিতা প্রসঙ্গে হাসান আজিজুল বলেন,শিক্ষার যে মৌলিক উদ্দেশ্য তা থেকে বিচ্যুতি ঘটার কারণেই উপাচার্যরা নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হচ্ছেন।তারা সর্বজনীন শিক্ষার ব্যাপারে উদাসীন।সরকার বা দলের অনুগত হয়ে কাজ করলে,সেখানে শিক্ষার সঠিক পরিবেশ আর থাকে না। ঠিক তাই হচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় যে ভালো শিক্ষক নেই,তা বলা যাবে না।অনেক শিক্ষক আছেন,যারা অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেন না।শিক্ষা বিস্তারকে ব্রত জানেন।এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এই লেখক আরও বলেন,কিন্তু উচ্চশিক্ষা নিয়ে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা তো অস্বীকার করার উপায় নেই। হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার। কাজের জায়গা নেই। তাহলে শিক্ষাব্যবস্থায় অবশ্যই সমস্যা আছে। আমরা আসলে কর্মমুখী শিক্ষার দিকে কোনো নজর দিতে পারিনি। সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে,অথচ কাজের পরিকল্পনা নেয়া হয়নি।এমন শিক্ষা অনর্থক,সময়ক্ষেপণ ছাড়া আর কিছুই না। উন্নত বিশ্বে এমন শিক্ষা দেখতে পাওয়া যায় না।আর শিক্ষার এই অসঙ্গতির কারণেই সমস্যা ও অনিয়ম-দুর্নীতির সৃষ্টি হচ্ছে।দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরাও।

Top