শিশুদের জন্য সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারছেন না বলে আক্ষেপ করেছেন। - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটিবির ৯ কর্মকর্তাকে বদলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে ‘ক্রসফায়ার’ বিপজ্জনক বার্তা ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যের জেরে আইজিপির অপসারণ দাবি এনসিপির আইজিপির বক্তব্যের প্রতিবাদ জামায়াতের, ক্ষমা চাইতে বলল শিবির নামে পার্থক্য, চরিত্রে এক বিএনপি ও আওয়ামী লীগ বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছেই টিআইবিসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নিন্দা প্রত্যাহার দাবি,আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব... ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার স্থানীয় সরকারে অবিশ্বাস্য দুর্নীতি,আওয়ামী আমলের আমলনামা : তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন কর অঞ্চল-১২ এর সাবেক উপ কর কমিশনার হাফিজুলের বি'রু'দ্ধে নিয়োগ জা'লিয়া'তির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

শিশুদের জন্য সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারছেন না বলে আক্ষেপ করেছেন।


আলোকিত বার্তা:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শিশুদের জন্য সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারছেন না বলে আক্ষেপ করেছেন।সার্বিক বিষয় নিয়ে তিনি চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন তার।তিনি বলেন,চারদিকে একটি অনিশ্চয়তা, একটা অস্থিতিশীলতা, একটা ভয়-শঙ্কা কাজ করছে।মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর)রাজধানীর আইডিইবি ভবনে জিয়া শিশু একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত ১১তম জাতীয় শিশু শিল্পী প্রতিযোগিতা ‘শাপলাকুঁড়ি-২০১৯’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এভাবে হতাশা প্রকাশ করেন।

ফখরুল বলেন,জিয়াউর রহমান চেয়েছিলেন শিশুরা পাখির মতো ডানা মেলে উড়বে,সুশিক্ষা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জীবন গড়ার মাধ্যমে বিশ্বকে দেবে এক নতুন বাংলাদেশ। কিন্তু আজ দেশের শিশুরা অধিকারবঞ্চিত, অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির রোষানলে আবদ্ধ। প্রতিনিয়ত শিশুর ওপর চলছে পৈশাচিক নির্যাতন, যা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বিরাট অন্তরায়।

তিনি আফসোস করেন,কোন সমাজ আমরা নির্মাণ করছি? যে সমাজে আমাদের ফুলের মতো শিশুগুলোকে আমরা ভালোবাসতে পারছি না। কোন সমাজ আমরা নির্মাণ করছি? যেখানে আমাদের শিশুদের জন্য সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারছি না। চতুর্দিকে একটি অনিশ্চয়তা, একটা অস্থিতিশীলতা, একটা ভয়-শঙ্কা কাজ করছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন,যখন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম তখন আমি যুবক ছিলাম।আজকে আমি প্রায় বৃদ্ধ। ৪৮ বছর হয়েছে প্রায় আমাদের স্বাধীনতার।এ স্বাধীনতার স্বপ্ন কিন্তু আমরা দেখিনি এ বাংলাদেশে।বাংলাদেশের এ চিত্র আমরা আশা করিনি এবং সেজন্য আমরা অস্ত্র তুলে নিয়ে যুদ্ধও করিনি। আমরা যুদ্ধ করেছিলাম সত্যিকার অর্থে একটি ফুলকে বাঁচাব বলে-এই গানটিকে প্রেরণা হিসেবে সামনে রেখে। ফুল ফোটাতে চেয়েছিলাম আমরা। আমরা এমন একটি বাসযোগ্য ভূমি তৈরি করতে চেয়েছিলাম যেখানে আমরা সবাই সুখে-শান্তিতে আনন্দে বাস করতে পারব। কিন্তু আমাদের সেই স্বপ্ন সফল হয়নি। যদিও আমাদের অনেক রাস্তাঘাট তৈরি হয়েছে, অট্টালিকা তৈরি হয়েছে,আমাদের জীবনযাত্রার মান অনেক বদলে গেছে,তারপরও নিরাপদ যে বাসভূমি আমাদের দরকার তা দেখতে পাইনি।এর চেয়ে বড় লজ্জা আর কিছু হতে পারে না!ছোট ছোট শিশু বন্ধুরা,আমরা কাজ করি ওই সময়টা ফিরিয়ে আনার জন্য। আমরা কাজ করি যেন আমাদের শিশুদের জন্য একটি শান্তির পৃথিবী তৈরি করতে পারি,হিংসা-বিদ্বেষ বাদ দিয়ে যেন ভালোবাসার পৃথিবী তৈরি করতে পারি,সেই জন্য।

Top