রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর আগে তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের স্থগিত পরীক্ষার নতুন তারিখ ৭৯ খাতে দুর্নীতি ১২১ কোটি টাকা প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন মানবাধিকার লঙ্ঘন করবে চিকিৎসার বাইরে ৯২ শতাংশ

রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর আগে তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান


আলোকিত বার্তা:রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর আগে তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট- ৩ : সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ’ বিষয়ক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি অপসারণ করে সেখানে তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র বানানো হচ্ছে- মিয়ানমারের এমন দাবি প্রসঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।এ সময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের উদাহরণ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনার সময় ঘরবাড়ির কথা ভাবা হয়নি। ফিরে এসে নিজেরাই ঘরবাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, আমরা যখন ভারত থেকে আসি তখন দেখি ঘরবাড়ি নেই। পাক আর্মিরা সব ভেঙে ফেলেছে। আমরা ভারত থেকে নিজেদের লোকদের ফেরত আনার সময় চিন্তা করিনি ঘরবাড়ি আছে কি নেই।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে আসে তখন কিন্তু ঘরবাড়ির চিন্তা করেনি। যখন তাদের যাওয়া শুরু হবে গিয়ে ঠিকই ঘরবাড়ি তৈরি করবে। না গেলে কীভাবে ঘরবাদি তৈরি করবে?তবে মিয়ানমার আশ্রয় কেন্দ্র তৈরি করছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, মিয়ানমার নিশ্চয় তারা কোনো অ্যারেঞ্জমেন্ট করবে। বারবার আমাদের কাছে ওয়াদা করেছে মিয়ানমার।

তিনি বলেন, মিয়ানমার কিছুদিন আগেও রাখাইনে কাউকে নিতে রাজি ছিল না। সম্প্রতি সেখানে কয়েকজন রাষ্ট্রদূতসহ আরও কয়েকজনতে তারা রাখাইনে নিতে সম্মতি জানিয়েছে। রাষ্ট্রদূতরা সেখনে যাবেন। পরিস্থিতি দেখবেন।রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, মিয়ানমারের দায়িত্ব তাদের নিরাপত্তা দেয়া। তারা যেন নিরাপদ বোধ করে নিজ দেশে ফিরে যায় সেই দায়িত্ব মিয়ানমারের।অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তরের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

Top