ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় ২১ আগস্ট রাজনীতির - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
এনসিটিবির ৯ কর্মকর্তাকে বদলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার ঢাল হিসেবে ‘ক্রসফায়ার’ বিপজ্জনক বার্তা ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যের জেরে আইজিপির অপসারণ দাবি এনসিপির আইজিপির বক্তব্যের প্রতিবাদ জামায়াতের, ক্ষমা চাইতে বলল শিবির নামে পার্থক্য, চরিত্রে এক বিএনপি ও আওয়ামী লীগ বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছেই টিআইবিসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের নিন্দা প্রত্যাহার দাবি,আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব... ৪৬ বছর পর ফিরছে গ্রাম সরকার স্থানীয় সরকারে অবিশ্বাস্য দুর্নীতি,আওয়ামী আমলের আমলনামা : তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন কর অঞ্চল-১২ এর সাবেক উপ কর কমিশনার হাফিজুলের বি'রু'দ্ধে নিয়োগ জা'লিয়া'তির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় ২১ আগস্ট রাজনীতির


আলোকিত বার্তা:বাংলাদেশের রাজনীতিতে ২১ আগস্ট একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেছেন, এটি একটি বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়।মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রক্তাক্ত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতারা এসব কথা বলেন।

তারা বলেন,২০০৪ সালের এদিনে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভানেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জনকে হত্যা ও অসংখ্য মানুষকে আহত করে দেশের ইতিহাসে কালো অধ্যায় রচনা করা হয়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ওই ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।নেতৃদ্বয় মর্মান্তিক ওই ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, প্রতিহিংসার কোনো রাজনীতি কখনো কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। এসব প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণেই রাষ্ট্র ও সমাজে আজ এক ধরনের বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি হয়েছে। যার দায় তৎকালীন সরকারে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এড়াতে পারে না।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন,তৎকালীন সরকার ‘জজ মিয়ার নাটক’সাজিয়ে ২১ আগস্টের বিচারকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার মাধ্যমে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল,যার ফলাফল রাজনীতিকে ভয়ানক অবিশ্বাস ও আস্থাহীনতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।যার মাশুল আজও জাতিকে দিতে হচ্ছে।
তারা বলেন,এ ঘটনা বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনীতির জন্য একটি কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবেই বিবেচিত হবে৷ এ কলঙ্ক মুছে ফেলা প্রায় অসম্ভব৷ বাংলাদেশের জনগন কখনো এ ধরনের হিংসাত্মক রাজনীতিকে গ্রহণ করে না,করতেও চায় না।তাই এ ধরনের হিংসাত্মক রাজনীতি থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন জাতীয় এজেন্ডা নির্ধারণ।এ এজেন্ডা নির্ধারণে সবাইকে এক টেবিলে বসতে হবে।জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে বলে আমরা আশা করি।

Top