দাম বাড়ানো খুবই কঠিন এ মুহূর্তে ধানের - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
লড়াইয়ের গল্প গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরাই.......অঙ্গীকার হওয়া উচিত পায়রা বন্দরের সঙ্গে সড়ক ও রেলের কানেকটিভিটি বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ মেট্রোরেলের ভাড়ার ওপর ভ্যাট নেওয়ার সিদ্ধান্ত অগ্রহণযোগ্য চাকরির পেছনে ছুটে না বেড়িয়ে চাকরি দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন বরিশাল বিমানবন্দর এরিয়া ভাঙ্গন রোধে কাজ করছে সরকার বিআরটিসির অগ্রযাত্রায় সাহসিক পদক্ষেপ,সাফল্যের মহাসড়কে অদম্য যাত্রা জুজুৎসুর নিউটনের যৌন নিপীড়নের ভয়ংকর তথ্য লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে বিদ্যুৎ খাতকে বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে তুমুল লড়াই চলছে

দাম বাড়ানো খুবই কঠিন এ মুহূর্তে ধানের


আলোকিত বার্তা:কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলছেন, এই মুহূর্তে ধানের দাম বাড়ানো খুবই কঠিন। ধানের ফলন ওঠার মৌসুমে ধানের দাম অস্বাভাবিক কমে গেছে। এজন্য এবার কৃষকদের কিছুটা ক্ষতি হবে।তিনি বলেন, উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম অনেক কম হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে ধানের দাম কমে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।ক্ষোভে কৃষকরা ধানে আগুন লাগিয়ে বা রাস্তায় ধান ঢেলে দিয়ে নানা অভিনব কায়দায় প্রতিবাদও জানিয়েছেন। তারা দাবি জানিয়েছেন ধানের ন্যায্যমূল্যের।ধানের দাম নিয়ে বিবিসি বাংলার সাথে বিস্তারিত কথা বলেছেন সরকারের কৃষিমন্ত্রী।এমন প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে ধানের দাম বাড়ানো খুবই কঠিন। তবে ধান রফতানির মতো ভিন্ন কিছু উপায়ের কথা তারা বিবেচনা করছেন। এতে ধানের দামের ওপর একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তিনি মনে করেন।

তার কথায়, কিছুদিনের মধ্যে ধান কাটা শেষ হলেই ফসলের পরিমাণ দেখে তারা রফতানির সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে বাংলাদেশের মতো দুর্যোগপ্রবণ দেশে এ সিদ্ধান্ত অনেক ভেবেচিন্তে নিতে হবে।কৃষিমন্ত্রী ধানের দাম কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে বলছেন, আমরা বলছি যে ধানের উৎপাদন এবার আশাতীতভাবে বেশি হয়েছে। আমাদের টার্গেট ছিল এক কোটি চল্লিশ লক্ষ টন। ১৩ লক্ষ টন বেশি হয়েছে। ১৭ সালে সরকারি ও বেসরকারি গুদামে আমদানিটাও বেশি হয়েছিল।কিন্তু যারা ইতিমধ্যেই ধান উৎপাদন করে ফেলেছেন এবং কম দাম হওয়ার কারণে বিপাকে পড়েছেন তাদের কী হবে?এই প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এবার তাদের কিছুটা ক্ষতি হবে। তবুও আমরা চেষ্টা করছি যতটা সম্ভব কেনার।দেশের কৃষকরা যেখানে দাম পাচ্ছেন না সেখানে তারপরও বিদেশ থেকে চাল আমদানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমে তা নিয়ে বিস্তারিত খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্জাক বলেন, পত্রিকার খবর সঠিক নয়। পত্রিকায় বলা হয়েছে ২ লাখ টনের এলসি আছে। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি ৯৭ হাজার টন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষি এখন এক ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কৃষির অনেক যান্ত্রিকীকরণ হচ্ছে। সেটি আরো বেশি হলে দাম নিয়ে এই সমস্যা থাকবে নাকৃষকদের এসব যন্ত্র কিনতে সাবসিডি (ভর্তুকি) দেয়া হচ্ছে।রাজ্জাক বলেন, আমরা ৫০ শতাংশ সাবসিডি দিচ্ছি। একটা হারভেস্টাররের দাম ৮ লাখ টাকা। তাতে সরকার দিচ্ছে ৪ লাখ টাকা। একটা কম্বাইনার যদি ২৫ লাখ হয় অর্ধেক সরকার দেয়।ধান রফতানি করে কিভাবে ধানের দাম স্থিতিশীল করা যাবে, এমন প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রচণ্ডভাবে দুর্যোগ প্রবণ। আমাদের ভয় হল হঠাৎ যদি বন্যা হয় তাহলে আবার আমরা বিপদে পড়বো। এজন্য চিন্তাভাবনা করে রফতানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।এসব চিন্তাভাবনা মাথায় রেখে শুধু ফলন ভালো হলে তবেই রফতানি করা যেতে পারে বলে জানান তিনি।

Top
%d bloggers like this: