১৫ কেজি চাল সহায়তা রমজান-ঈদে দুঃস্থদের - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ ঢাকায় প্রতি রুটে চলবে নির্দিষ্ট এক কোম্পানির বাস শীতের আয়ুও কম হতে পারে,কমবে তীব্রতা,এবার শীত দেরিতে পনেরো বছরের দীর্ঘমেয়াদি ইজারা বা কনসেশন চুক্তি সন্দেহজনক লেনদেন ও রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪ শতাংশ ছাদভিত্তিক সর্ববৃহৎ সোলার প্ল্যান্ট স্থাপনে চুক্তি করল যমুনা গ্রুপ ভাড়ায় খাটে দুর্ধর্ষ ডাকাতরা,শাহজালাল বিমানবন্দর ঘিরে অপরাধ দুর্নীতির বরপুত্র বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা কে ... প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ কঠিন শর্তে ৩৩০ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ নিচ্ছে সরকার

১৫ কেজি চাল সহায়তা রমজান-ঈদে দুঃস্থদের


আলোকিত বার্তা:পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) আওতায় অতিদরিদ্র ও অসহায় দুঃস্থ পরিবারকে বিনামূল্যে ১৫ কেজি হারে চাল দেবে সরকার।এ জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর থেকে জেলা প্রশাসকদের চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বরাদ্দপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।এতে বলা হয়,পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে ৬৪টি জেলার ৪৯৩টি উপজেলায় এবং ক, খ ও গ ক্যাটাগরির ৩২৯টি পৌরসভার অতিদরিদ্র ও অসহায় দুঃস্থ পরিবারের জন্য ১৫ কেজি হারে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। এ জন্য উপজেলায় এক লাখ ৩২ হাজার টন এবং পৌরসভার জন্য ১৮ হাজার ২৯৯ টনসহ মোট এক লাখ ৫০ হাজার ২৯৯ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হলো।

৪৯৩টি উপজেলায় ৮৮ লাখ এবং ৩২৯টি পৌরসভার ১২ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন ভিজিএফ কার্ডধারী এ সহায়তা পাবেন।জেলা প্রশাসকরা ভিজিএফ বরাদ্দের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সংসদ সদস্যকে অবহিত করবেন।বরাদ্দপত্রে বলা হয়েছে, ভিজিএফ উপকারভোগী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আদমশুমারি ২০১১ এর জনসংখ্যা অনুযায়ী ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক বরাদ্দ করা ভিজিএফ কার্ড সংখ্যা পুনঃবিভাজন করে তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। দুঃস্থ আ অতিদরিদ্র ব্যক্তি বা পরিবারকে এ সহায়তা দিতে হবে। তবে সাম্প্রতিক বন্যা আক্রান্ত ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুঃস্থদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।১২টি শর্ত দিয়ে এর চারটি পূরণ করে এমন ব্যক্তি বা পরিবারকে দুঃস্থ বলে গণ্য করে সহায়তা দিতে হবে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- যাদের ভিটাবাড়ি ছাড়া কোনো জমি নেই, যে পরিবার দিনমজুরের আয়ের ওপর নির্ভরশীল, যে পরিবারে নারী শ্রমিকের আয় বা ভিক্ষাবৃত্তির ওপর নির্ভরশীল, যে পরিবারে উপার্জনক্ষম পূর্ণ বয়স্ক কোনো পুরুষ সদস্য নেই, যে পরিবারে স্কুলগামী শিশুকে উপার্জনের জন্য কাজ করতে হয়, যে পরিবারে উপার্জনশীল কোনো সম্পদ নেই, যে পরিবারের প্রধান স্বামী পরিত্যক্তা, যে পরিবারের প্রধান অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, যে পরিবারের প্রধান অস্বচ্ছল ও অক্ষম প্রতিবন্ধী, যে পরিবার কোনো ক্ষু্দ্রঋণ পায়নি, যে পরিবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে চরম খাদ্য বা অর্থ সঙ্কটে পড়েছে এবং যে পরিবারের সদস্যরা বছরের অধিকাংশ সময় দু’বেলা খাবার পায় না।

তালিকা এমনভাবে করতে হবে যেন একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ না পায়। বরাদ্দ করা খাদ্যশস্য আগামী ১৪ জুনের মধ্যে উত্তোলন করতে হবে এবং ঈদের আগেই বিতরণ কার্যক্রম শেষ করতে হবে বলেও বরাদ্দপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৭০ শতাং নারীকে অন্তর্ভুক্ত নিশ্চিত করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্ট জেলা পুনর্বাসন কর্মকর্তা ও উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা দায়ভার বহন করবেন।

Top