আমরা ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিজয় চাই - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশাল বিসিকে শিল্প কারখানার মালামাল চুরি, চোর শনাক্ত ভারতে পলাতক আ,লীগের সাবেক এমপি জোয়াহেরুলের মরদেহ বেনাপোল সীমান্তে হস্তান্তর ধর্ষকদের ছাড়ের সুযোগ নেই: জামায়াতে ইসলামী ফ্যাটি লিভার রোগীদের জন্য রোজা উপকারী নাকি ঝুঁকিপূর্ণ? সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করেছিলাম, হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে পরামর্শক খাতেই ৩২২ কোটি টাকা আবদার প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন ড. মোশাররফ পাসপোর্ট দালালদের আশা ভেস্তে গেল বরিশালে চেকপোস্টে সেনাবাহিনীর সদস্য কর্তৃক সাংবাদিককে হেনস্তার অভিযোগ, সাংবাদিক মহলে উদ্বেগ আ. লীগের কার্যালয় খুলে দেওয়া গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত

আমরা ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিজয় চাই


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা :বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কোনো বিশেষ দলের বিজয় চাচ্ছি না। ৮ দলের বিজয়ও চাই না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিজয় চাই। আগামীর বাংলাদেশ হবে কুরআনের বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম থেকে ইসলামের বিজয়ের বাঁশি বাজানো হবে।শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শফিকুর রহমান বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আগপর্যন্ত মানুষ স্বস্তিতে কথা বলতে পারেনি। বাংলাদেশের মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা ছিল না। বাংলাদেশের মানুষ অবিচার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে।তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেদের উন্নয়ন করেছিল। রাস্তাঘাট তৈরি করেছিল রডের বদলে বাঁশ দিয়ে। বাংলাদেশের টাকা লুট করে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। শাপলা চত্বরে অসংখ্য মাওলানাকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর কুখ্যাত প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন- কেউ মারা যায়নি। রং ছিটিয়ে রেখেছিল। মানুষ খুন করার পর আবার মানুষের রক্ত নিয়েও তাদের উপহাস। এটাই ছিল তাদের বৈশিষ্ট্য।

আওয়ামী লীগ রক্তাক্ত হাতে ক্ষমতায় এসেছিল, রক্তাক্ত হাতেই ক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, তারা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে ওই বছরের ফেব্রুয়ারির ২৫ ও ২৬ তারিখ ঢাকার পিলখানায় বিডিআর হেডকোয়ার্টারে প্রতিশ্রুতিশীল, দেশপ্রেমিক ও চৌকস সামরিক অফিসারদের হত্যা করার মাধ্যমে তাদের শাসন শুরু করেছিল। ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্টে গণআন্দোলনে ছাত্র-তরুণ, যুবক, কৃষক শ্রমিকের বুকে গুলি চালিয়ে কাড়ি কাড়ি লাশ ফেলে দিয়ে যখন সামাল দিতে পারেনি। তখন বলেছিল- অমুকের কন্যা দেশ ছেড়ে পালায় না।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। ফ্যাসিবাদকে নতুন করে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না। কোনো ফ্যাসিবাদকে বরদাশত করা হবে না। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন- চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে ঘোষণা দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ঐক্য আমাদের জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে। প্রয়োজনে আবারও ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের আমির মাওলানা মামুনুল হক। জামায়াতে ইসলামীসহ আট দল ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করছে।তাদের প্রধান দাবিগুলো হচ্ছে- জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজন, জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু, জাতীয় নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, আওয়ামী লীগের গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার এবং আওয়ামী লীগের সব অপকর্মের সহযোগী জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।

Top