সৈয়দা রেজওয়ানা ও ড. খলিলুরের গ্রেপ্তারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভের ডাক - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৈয়দা রেজওয়ানা ও ড. খলিলুরের গ্রেপ্তারের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভের ডাক


মু.এবি সিদ্দীক ভুঁইয়া:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানের গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার (৬ মার্চ) জুমা’র নামাজের পর বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে জানানো হয়, জনগণের রায়কে প্রভাবিত করার অভিযোগে ওই দুই সাবেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করা হবে।কর্মসূচিটি জুমা’র নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।পোস্টে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত রায় পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

ঘোষিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিদ্যমান সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ ও দাবি তোলেন দলের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, গতকাল আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম হচ্ছে সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা। তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে এটা প্রকাশ করেছেন, যারা তার ভাষায়- নারীদের উপযুক্ত অধিকারকে নিশ্চিত করতে পারেনি, তারা বিরোধী দলে থাকলেও আমরা কিন্তু তাদের মূলধারায় বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দিইনি। তখনই বোঝা যায়, যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা এসেছে, সেটাকে উনি নিজেই স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

তিনি বলেন, কী ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারা বা প্রধান দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, সেটি তারা জানতে চান। তিনি আরও বলেন, এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উনার সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিল? পুরো গভর্নমেন্ট ছিল, নাকি গভর্নমেন্টের একটি অংশ নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে? তাদের ডিজাইন অনুসারে ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যায় একটি দলকে জেতানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল এ বিষয়টি জাতির সামনে পরিষ্কার করতে হবে।তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রিজওয়ানা হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে তিনি যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে পরিষ্কার তথ্য দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে।

Top