ভোট ডাকাতি রুখে দিতে হবে - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোট ডাকাতি রুখে দিতে হবে


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া:বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বড় উচ্চমূল্যে কেনা আমাদের আজকের এই পরিবেশ। মেহেরবানি করে শহীদদের প্রতি আমরা সবাই যেন সম্মান দেখাই। রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী করা হবে বলে অঙ্গীকার করেন তিনি। কঠোর বার্তা দিয়ে জামায়ত আমির বলেন, চাঁদা নেব না-কাউকে চাঁদা নিতে দেব না। দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে চাই আমরা। আগামী নির্বাচনে কেউ সন্ত্রাস করবেন না। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কেউ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চেষ্টা করবেন না। কেউ ভোট ডাকাতি করতে চাইলে রুখে দিতে হবে। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা কারও পক্ষই নেবেন না। দেশের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করুন। ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে জামায়াত আমির উত্তরাঞ্চলের চারটি জেলা- রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। আজ রংপুরে জুলাই শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় দিনের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেবেন।

দিনাজপুর : শুক্রবার বিকালে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানে ১০ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় জামায়াত সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশ চাঁদাবাজমুক্ত করা হবে। চাঁদা আমরা নেই না। কাউকে চাঁদা নিতেও দেব না। তিনি বলেন, আমরা তো দুর্নীতি করবই না, এই সোনার বাংলাদেশে আর কাউকে দুর্নীতি করতেও দেওয়া হবে না। আমরা আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে চাই। তিনি বলেন, মা-বোনরা নিজেদের প্রয়োজনের তাগিদে সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। কিন্তু সমাজে তাদের জন্য নিরাপদ সম্মানের জায়গা নেই। আমরা কথা দিচ্ছি, হে বাংলাদেশ, আমরা তোমাকে চমৎকার একটা মায়ের জাতি উপহার দেব ইনশাআল্লাহ।জামায়াতের আমির আরও বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা চাই, যে বাংলাদেশে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ একই বাগানে মিলেমিশে বসবাস করব। আমরা এমন বাংলাদেশ দেখতে চাই, যে বাংলাদেশের টাকা চুরি করে কেউ বিদেশের মাটিতে বেগমপাড়া গড়ার স্বপ্ন দেখবে না। বেগমপাড়ার চোরদের ধরে এনে বাংলাদেশের মাটিতে শাস্তি দেওয়া হবে-আমরা ওই বাংলাদেশ দেখতে চাই।

উপস্থিত জনতার উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এই দেব ওই দেব, বিশেষ কোনো সুবিধা দেব, এটা বলার অধিকার আমাদের নেই। আমরা কি আমাদের বাপের সম্পত্তি দেব? আমরা যদি ইনসাফভিত্তিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে পারি তাহলে এ দেশে মানুষ আর না খেয়ে কষ্ট করবে না। গাছতলায় ঘুমাবে না। আমরা আর ব্যর্থ হতে চাই না। আমরা আলোর দরজা খুলতে চাই। আলোকিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।

জনগণের রায়ে ক্ষমতায় গেলে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, সমগ্র বাংলাদেশের তিন ভাগের এক ভাগ খাদ্যের জোগান দেয় উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর। কিন্তু বাংলাদেশ দিনাজপুরকে কী দিয়েছে? বৃহত্তর জেলা হিসাবে অনেক জেলা সিটি করপোরেশন হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যদি দেশ সেবার সুযোগ পায়, তাহলে দিনাজপুর শহরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তর করা হবে। সিটি করপোরেশন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দিনাজপুরের অনেকগুলো উন্নয়ন অটোমেটিক্যালি হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আমরা চাই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উত্তরবঙ্গ হোক কৃষিশিল্পের রাজধানী। আমরা সেই কৃষিশিল্প এখানে গড়ে তুলব। পুরোনো ধাঁচে আর কৃষিকে চালানো হবে না। কৃষিকে আধুনিকায়ন করে, আধুনিক লজিস্টিক সরবরাহ করে আমরা জমির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলব। কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে। জেলায় জেলায় সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হবে।

দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন-জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, দিনাজপুর-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মতিউর রহমান, দিনাজপুর-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ একেএম আফজালুল আনম, দিনাজপুর-৩ আসনের প্রার্থী মইনুল আলম, দিনাজপুর-৪ আসনের জামায়াত প্রার্থী আফতাব উদ্দীন মোল্লা, দিনাজপুর-৫ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা ডা. আব্দুল আহাদ, দিনাজপুর-৬ আসনের জামায়াত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ও ১০ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতারা। জনসভার শেষ ভাগে জনগণ ও নেতাকর্মীদের কাছে দিনাজপুর ছয় আসনের জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন জামায়াত আমির।

পঞ্চগড় : শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যজোট সমর্থিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে কোনো কার্ড নেই। আপনারা ভাই-বোনরাই আমার কার্ড। আপনাদের বুকে আমরা একটা ভালোবাসার কার্ড চাই। আপনাদের সমর্থন, দোয়া এবং ভালোবাসা দিয়ে আগামীতে বেকার বাংলাদেশ গড়তে চাই।তিনি বলেন, কারও দয়ার পাত্র হয়ে বাংলাদেশের কোনো এলাকার মানুষ বসবাস করবে তা আমরা দেখতে চাই না। কে কার ওপর দয়া করে? জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরের ধনে পোদ্দারি আমরা করব না। আমরা যুবক-যুবতীর হাত শক্তিশালী করব। পরিবার যেমন নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে, আমরা নারী-পুরুষ মিলেই দেশকে সেভাবে গড়ে তুলব।

নদী ও প্রাকৃতিক সম্পদের বিষয়ে তিনি বলেন, চারটি নদী তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র এবং করোতোয়া আজ মরুভূমির মতো হয়ে গেছে। নদী মানুষের রক্তনালির মতো, যদি রক্ত বন্ধ হয়ে যায় তবে মানুষ মরে যায়। আপনারা যদি ১০ দলের সমন্বয়কে পার্লামেন্টে পাঠান যাতে সরকার গঠন করতে পারে, আমরা কথা দিচ্ছি-শুধু নদীর জীবন ফিরে আসবে না, মানুষের জীবনেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ। স্বাস্থ্যসেবার দুরবস্থার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, দেশের ৬৪ জেলার কোথাও মেডিকেল কলেজবিহীন থাকবে না। পঞ্চগড়েও একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে ইনশাআল্লাহ। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোট দিতে পারেন না বহুদিন। এবার আপনার ভোটটাও যদি কেউ ডাকাতি করতে আসে তাহলে রুখে দিতে হবে। যুবকরা এখনো তোমাদের কাজ শেষ হয়নি, কেবল শুরু হয়েছে।

এ সময় ডা. শফিক ১০ দলের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলমকে শাপলা কলি এবং পঞ্চগড়-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা মনোনীত প্রার্থী শফিউল আলম সুফিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।শুক্রবার জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভা উপলক্ষ্যে সকাল ৯টা থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এবং আশপাশের এলাকা থেকে নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার মানুষ জনসভাস্থলে এসে উপস্থিত হন। এ সময় পঞ্চগড় চিনিকল মাঠসহ এর আশপাশের পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

পঞ্চগড় জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইনের সভাপতিত্বে নির্বাচনি সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইমলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত সংসদ-সদস্য পদপ্রার্থী সারজিস আলম এবং পঞ্চগড়-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শফিউল আলম সুফিসহ জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান প্রমুখ।

ঠাকুরগাঁও : শুক্রবার বিকালে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল বড় মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের এক-তৃতীয়াংশ খাদ্য ও সবজি এই অঞ্চলে উৎপাদিত হয়। অথচ এখানকার মানুষ আজও দরিদ্র। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সরকারগুলোর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে কৃষিতে আধুনিকায়ন হয়নি।

রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের ডাক দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা একা দেশ গড়তে চাই না। দেশপ্রেমিক দশটি দলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চাই। এই লক্ষ্যে বেকারত্ব নিরসনে জাপানি বা ভিয়েতনামি মডেল অনুসরণ করে ঘরে ঘরে কুটির শিল্প বা ‘হোম ইন্ডাস্ট্রি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, আমরা বেকার ভাতা দিয়ে যুব সমাজকে অপমানিত করতে চাই না। বরং দক্ষ জনশক্তি হিসাবে গড়ে তুলতে চাকরিতে প্রবেশের আগে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব এবং প্রশিক্ষণকালীন মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হবে। এছাড়া সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সচিব সারজিস আলম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হাকিম, দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় ১০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।

এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উত্তরবঙ্গের ৮টি জেলা সফরের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। ডোমেস্টিক লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা গত ৫৪ বছরের পচে যাওয়া রাজনীতি চান না এবং রাজনীতিতে আমূল পরিবর্তন চান, আমরা আশা করি তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করবেন।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা জনগণকে কেনার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। যারা এসব অপকর্মে জড়িত, তারাই আমাদের ঘাড়ে দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে। কার্ডের লোভ, ভুয়া প্রতিশ্রুতি বা ১০ টাকা কেজি দরে চাল এবং ভুয়া ফ্ল্যাট দেওয়ার আশ্বাস-এসবই আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সেক্রেটারি আবদুস সাত্তার সুমনসহ বহু নেতাকর্মী বিমানবন্দরে জামায়াত আমিরকে বিদায় জানান।

রংপুর : শুক্রবার রাত ৯টায় রংপুর শহরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে প্রথমে ওখানে কোদাল দিয়ে তিস্তাতে আঘাত করব। তিস্তাকে সজিব করা হবে। তিস্তা সজিব হলে উত্তরাঞ্চলের মানুষ সজিব হবে। আমরা কথা রাখতে চাই। আমরা রাজনীতির জন্য কথা বলতে চাই না। উত্তরবঙ্গকে নতুন করে সাজাব। তাই তিস্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা মিথ্যা আশ্বাস দিতে চাই না। আমরা বেকার ভাতা দিতে চাই না, বেকারের কারখানা বানাতে চাই না। বেকারত্ব ঘোচাতে চাই। তাই বেকার ভাতার পরিবর্তে মর্যাদা সম্পন্ন কাজ দিতে চাই। যোগ্যদের যোগ্য মতে কাজের ব্যবস্থা করে দিতে চাই।

রংপুর জেলা ও মহানগর জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় মহানগর জামায়াতের সভাপতি এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের প্রার্থী এটিএম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী আখতার হোসেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সদস্য ও রংপুর-৩ আসনের প্রার্থী মাহবুবার রহমান বেলাল, রংপুর-১ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রায়হান সিরাজী, জেলা জামায়াতের আমির ও রংপুর-৫ আসনের প্রার্থী গোলাম রব্বানী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগতুল্লাহ সিগবাসহ অন্যান্য নেতারা। এ সময় ১০ দলীয় নির্বাচনি জোটের রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সবার কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়ে দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলি প্রতীকে ভোট চান জামায়াত আমির।

উত্তরবঙ্গ সফরকালে জামায়াত আমিরের বিভিন্ন জনসভার সংবাদগুলো পাঠিয়েছেন দিনাজপুর প্রতিনিধি একরাম তালুকদার, পঞ্চগড় প্রতিনিধি এসএ মাহমুদ সেলিম ও ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি এসএ মাহমুদ সেলিম এবং রংপুর থেকে মাহবুব রহমান।

Top