মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ঘি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
লড়াইয়ের গল্প গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরাই.......অঙ্গীকার হওয়া উচিত পায়রা বন্দরের সঙ্গে সড়ক ও রেলের কানেকটিভিটি বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ মেট্রোরেলের ভাড়ার ওপর ভ্যাট নেওয়ার সিদ্ধান্ত অগ্রহণযোগ্য চাকরির পেছনে ছুটে না বেড়িয়ে চাকরি দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন বরিশাল বিমানবন্দর এরিয়া ভাঙ্গন রোধে কাজ করছে সরকার বিআরটিসির অগ্রযাত্রায় সাহসিক পদক্ষেপ,সাফল্যের মহাসড়কে অদম্য যাত্রা জুজুৎসুর নিউটনের যৌন নিপীড়নের ভয়ংকর তথ্য লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে বিদ্যুৎ খাতকে বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে তুমুল লড়াই চলছে

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ঘি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান।


আলোকিত বার্তা:মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে ঘি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। খালি পেটে ঘি খেলে শরীরের অনেক উপকার পাওয়া যায়।এমনকি ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।গবেষণায় দেখা গেছে, ঘি-এ থাকা ‘মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড’ শরীরে জমে থাকা ‘ফ্যাট সেল’ গলাতে সাহায্য করে।পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন ২ চামচ ঘি খালি পেটে খেতে পারলে শরীরে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ২-৩ চামচ ঘি ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে পারলে বাড়ে হজমশক্তি। খাবারের সঙ্গে ২-৩ চামচ ঘি খাওয়ার অভ্যাস পরিপাকতন্ত্রকে চর্বিমুক্ত করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকেও নির্মূল করতে সাহায্য করে।

খালি পেটে ঘি খেতে পারলে শরীরে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। ফলে হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।

ঘি-এ রয়েছে কে ২ এবং সিএলএ নামক দুটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এই দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিয়ে ক্যান্সারের আশঙ্কাও কমিয়ে দেয়।

Top
%d bloggers like this: