স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নেই বাংলাদেশে - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চরকাউয়ায় সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি শিক্ষার্থীর খরা, তবু নতুন ১১ প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের চেষ্টা পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার চায় প্রশ্নবিদ্ধ বাংলাদেশিদের গ্রহণযোগ্যতা ফুয়াদ হাসান আকন্দের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচারের প্রকৃত সত্য প্রকাশ স্থানীয় নির্বাচনে জোট করতে শরিকদের চাপে জামায়াত মাদক ও সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওবাসী দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের অপেক্ষায় রয়েছে রাজধানীর ফুটপাত ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়,সড়কের ফুটপাত কারো না কারো দখলে থাকছে ইস্টার্ন ব্যাংকের ঋণে গ্যারান্টর জালিয়াতি সুস্পষ্ট লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা,চার দিন বৃষ্টির আভাস

স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নেই বাংলাদেশে


আলোকিত বার্তা:গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নেই। স্বৈরতন্ত্র বাংলাদেশে চিরস্থায়ী হওয়ার লক্ষ্যে অনেকবার এদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেউ পারেনি।সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মৃত্যুতে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক নাগরিক শোক সভায় ড.কামাল এ কথা বলেন।ড.কামাল বলেন, গ্যারান্টি দিতে পারি, আমার অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের কোনো জায়গা নাই। যারা মনে করেন স্বৈরতন্ত্রকে চাপা দিয়ে, অস্ত্র দিয়ে, বিভিন্ন রকমের প্রভাব খাটিয়ে চিরস্থায়ী করা যেতে পারে, তারা আহাম্মকের স্বর্গে বাস করছেন।

সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি তখন থেকে তাকে (মাহফুজ উল্লাহ) চিনি। আজকে আমি মোটেও নিরাশ নই। কারণ মাহফুজ উল্লাহকে শ্রদ্ধা জানাতে সব মহলের লোক এখানে একত্রিত হয়েছে। উনাকে সম্মান জানাচ্ছেন কেন? কারণ তিনি ঝুঁকি নিয়েছিলেন, সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। যখন উচিত কথা বলা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, তখন তিনি উচিত কথা বলেছিলেন।শোকসভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মাহফুজ উল্লাহ এত তাড়াতাড়ি চলে যাবেন এটা ভাবতেও পারিনি, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার। চলে যাওয়ার কিছুদিন আগে একটা সভায় এসেছিলেন। সেখানে তিনি বিএনপির কঠিন সমালোচনা করেছিলেন। এটাই ছিল তার বড় গুণ,তিনি সত্যকে সত্য বলতেন।ঢাবির সাবেক উপাচার্য ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন,এতো অল্প সময়ে মাহফুজ উল্লাহ আমাদেরকে ছেড়ে চলে যাবেন তা ভাবতে পারছি না। এমন একটি সময় আমরা তাকে হারিয়েছি যখন তার সততা, স্বচ্ছতা, সাহসিকতা জাতির খু্ব প্রয়োজন ছিল।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খানের সভাপতিত্বে শোক সভায় সাবেক কূটনীতিক শমসের মবিন চৌধুরী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরউল্লাহ চৌধুরী, ড. আসিফ নজরুল, পিএসসির সাবেল চেয়ারম্যান ড. সাদাত হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তত্ত্বাধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, নিউএজ পত্রিকার সম্পাদক নূরুল কবির, মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বক্তব্য দেন।

Top