বেতন নির্ধারণের দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসির ডিজিএম আশরাফুল আলমের খুঁটির জোর কোথায় : প্রধানমন্ত্রী ও দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে কর্মক... ‘রুপালি ধোঁকা’ইলিশের নামে ব্যাংকগুলো গ্রাহককে আমানতের বিপরীতে গড়ে যে হারে মুনাফা দিচ্ছে,এর চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার অনেক বেশি রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ,অন্য হোতারা ধরা না পড়ায় প্রশ্ন ব্যাংকক বৈঠকে চাওয়া হবে ৫০০ কোটি ডলারের ঋণ বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিরুদ্ধে কথা বলায় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার আতঙ্কে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা,বিএনপিতেও শুরু হয়েছে শুদ্ধি অভিযান অর্থনীতি নাজুক, পরিশোধে অক্ষমতায় হতে পারে বিপদ,কমছে আয়, ঋণেই ভরসা লন্ডনে এমপি সরোয়ার আলমগীরের সাথে মতবিনিময়: প্রবাসীদের সম্মান-নিরাপত্তা ও কালুরঘাট সেতু’র কাজ দ্রুত ... মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা

বেতন নির্ধারণের দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের


আলোকিত বার্তা:২০১৩-১৪ সালে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ, চাকরিকাল গণনা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার দাবি জানিয়েছে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট।সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের সমন্বয়ক মো. আমিনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন দেশের দুর্বল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যেও ১৯৭৩ সালে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩৬ হাজার ১৬৫টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক ও কর্মরত ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষককে চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার এই সাফল্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যেনও এককভাবে ঘরে তুলতে না পারে তার জন্য ষড়যন্ত্র করছে প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু সংখ্যক বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক বিধিমালা এস. আর. ও-নং ৩১৫ আইন, ২০১৩ বিধি (৯) উপবিধি (১) এর ভুল ব্যাখ্যা ও অপব্যাখ্যা দিয়ে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নানা ধরনের হয়রানি করে আসছে।

এ সময় জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধে ৮টি দাবি তুলে ধরেন তিনি।

দাবিগুলো হলো
১. ৫০ শতাংশ চাকরিকাল গণনা করে গ্রেডেশন ও পদোন্নতি তালিকা তৈরি করা।
২. প্রধান শিক্ষকদের প্রাপ্ত টাইম স্কেলের ভিত্তিতে উন্নতি স্কেল বাস্তবায়ন করা।
৩. প্রধান শিক্ষকদের গেজেট থেকে বাদ পড়া শিক্ষকদের গেজেট সংশোধন ক্রমে প্রধান শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশ করা।
৪. জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের ৯৯ কোড পরিবর্তন করে ১ নং কোডে নিয়ে আসা।
৫. বর্তমান নিয়োগ বিধিতে সহকারী শিক্ষকদের নূনতম যোগ্যতা বি.এ পাস করা হয়েছে। এজন্য সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড ও মহাপরিচালক পর্যন্ত শতভাগ পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।
৬. পি. আর. এলকৃত শিক্ষকদের আর্থিক সমস্যার সমাধান করা।
৭. জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকদের পদ সৃষ্টি করা।
৮. জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগের ব্যবস্থা করা।

Top