বেতন নির্ধারণের দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
লড়াইয়ের গল্প গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরাই.......অঙ্গীকার হওয়া উচিত পায়রা বন্দরের সঙ্গে সড়ক ও রেলের কানেকটিভিটি বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ মেট্রোরেলের ভাড়ার ওপর ভ্যাট নেওয়ার সিদ্ধান্ত অগ্রহণযোগ্য চাকরির পেছনে ছুটে না বেড়িয়ে চাকরি দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন বরিশাল বিমানবন্দর এরিয়া ভাঙ্গন রোধে কাজ করছে সরকার বিআরটিসির অগ্রযাত্রায় সাহসিক পদক্ষেপ,সাফল্যের মহাসড়কে অদম্য যাত্রা জুজুৎসুর নিউটনের যৌন নিপীড়নের ভয়ংকর তথ্য লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে বিদ্যুৎ খাতকে বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে তুমুল লড়াই চলছে

বেতন নির্ধারণের দাবি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের


আলোকিত বার্তা:২০১৩-১৪ সালে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণ, চাকরিকাল গণনা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধার দাবি জানিয়েছে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোট।সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের সমন্বয়ক মো. আমিনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন দেশের দুর্বল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যেও ১৯৭৩ সালে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩৬ হাজার ১৬৫টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক ও কর্মরত ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষককে চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার এই সাফল্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যেনও এককভাবে ঘরে তুলতে না পারে তার জন্য ষড়যন্ত্র করছে প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু সংখ্যক বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক বিধিমালা এস. আর. ও-নং ৩১৫ আইন, ২০১৩ বিধি (৯) উপবিধি (১) এর ভুল ব্যাখ্যা ও অপব্যাখ্যা দিয়ে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নানা ধরনের হয়রানি করে আসছে।

এ সময় জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধে ৮টি দাবি তুলে ধরেন তিনি।

দাবিগুলো হলো
১. ৫০ শতাংশ চাকরিকাল গণনা করে গ্রেডেশন ও পদোন্নতি তালিকা তৈরি করা।
২. প্রধান শিক্ষকদের প্রাপ্ত টাইম স্কেলের ভিত্তিতে উন্নতি স্কেল বাস্তবায়ন করা।
৩. প্রধান শিক্ষকদের গেজেট থেকে বাদ পড়া শিক্ষকদের গেজেট সংশোধন ক্রমে প্রধান শিক্ষকদের গেজেট প্রকাশ করা।
৪. জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের ৯৯ কোড পরিবর্তন করে ১ নং কোডে নিয়ে আসা।
৫. বর্তমান নিয়োগ বিধিতে সহকারী শিক্ষকদের নূনতম যোগ্যতা বি.এ পাস করা হয়েছে। এজন্য সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেড ও মহাপরিচালক পর্যন্ত শতভাগ পদোন্নতির ব্যবস্থা করা।
৬. পি. আর. এলকৃত শিক্ষকদের আর্থিক সমস্যার সমাধান করা।
৭. জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকদের পদ সৃষ্টি করা।
৮. জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগের ব্যবস্থা করা।

Top
%d bloggers like this: