আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে।


আলোকিত বার্তা:আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সোমবার এই অধিবেশনের আহ্বান করেন।চলতি একাদশ সংসদের তৃতীয় এ অধিবেশন ওইদিন বিকাল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হবে। এটি হবে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন।

এটি চলমান একাদশ সংসদের তৃতীয় অধিবেশন।এর আগে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়েছিল ২৪ এপ্রিল। মাত্র পাঁচ কার্যদিবস চলা এ অধিবেশন শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। সংবিধান অনুযায়ী একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।এই অধিবেশনেই আগামী ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার কথা রয়েছে। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম বাজেট বক্তৃতা করবেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। পুঁজিবাজারে দরপতন, বিএনপির সংসদে যোগদান, নতুন মন্ত্রিসভা, নতুন অর্থমন্ত্রী,মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন, মাদক নির্মূলসহ নানা ইস্যুর কারণে এবারের বাজেট বেশ আলোচিত।

আসছে বাজেট আওয়ামী লীগ সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। এ বাজেটে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুইদিকে সমান গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নির্বাচনী ইশতেহার আর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আয়-ব্যয় তথা প্রবৃদ্ধির সুষম বণ্টনে বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের নতুন বাজেটের আকার কিছুটা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার বাজেট হচ্ছে।
তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন দেয়ার আগে এর আকারেও পরিবর্তন আসতে পারে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামালের প্রথম বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ইতিহাস সৃষ্টিকারী। যার পরিমাণ তিন লাখ ৭২ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি অর্থবছরে ছিল তিন লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে ৩২ হাজার কোটি টাকা। আয়-ব্যয়ের বিশাল লক্ষ্যমাত্রায় ঘাটতিও হবে এ যাবতকালের সবচেয়ে বড়। যার পরিমাণ দেড় লাখ কোটি টাকারও বেশি।

চলতি অর্থবছরের বাজেট চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তার ওপর নির্ভর না করে ধীরে ধীরে নিজস্ব অর্থায়নে বাজেট প্রণয়নের কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই আগামী বাজেটে আয়কর ও ভ্যাটের আওতা বাড়ানো হচ্ছে। বাজেটের আকার হতে পারে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা। বিশাল এ ব্যয়ের বিপরীতে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

Top
%d bloggers like this: