নগরীতে বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটাতে গিয়ে গনধোলাই খেল শিক্ষক সুজন - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নগরীতে বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটাতে গিয়ে গনধোলাই খেল শিক্ষক সুজন


বরিশাল প্রতিনিধি:বরিশাল নগরীর রুস্তুম আলী তালুকদার শিশু কল্যানপ্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান সুজন বন্ধুর সুন্দরীস্ত্রীর সঙ্গে রাত কাটাতে গিয়ে স্থানীয় জনতার গনধোলাইয়ের শিকারহয়েছে। পরক্ষণে জনরোষ থেকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধারহয়ে গন পিটুনিতে অসুস্থ হয়ে পড়া ওই শিক্ষক শের-ই-বাংলামেডিকেলে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অন্যদিকে শিক্ষক বন্ধুর দ্বারা এমনন্যাক্কার জনক ঘটনার শিকার হয়ে বাড়ী ছেড়ে নিরুদ্দেশ হয়ে গেছেভুক্তভোগি মিজান ও তার স্ত্রী মোর্শেদা। বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকারসাধারন মানুষের মধ্যে সমালোচনার ঝড় বইছে। বুধবার(২৪এপ্রিল-২০১৯)দিবাগত রাতে নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডের হরিনাফুলিয়া নতুন হাটলাগোয়া সরদার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনা সংগঠিতস্থান সরদার বাড়ির বাসিন্দা মজিবর রহমান জানান, শিক্ষক সুজন তাদেরবাড়ির বাসিন্দা মিজানের স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্তকাটানোর সময় বাড়ীর ও এলাকার লোকজন উলঙ্গ অবস্থায় ধরে ফেলে। অল্পসময়ের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত জনরোষ তৈরী হয়। ভুক্তভোগিমিজানের ভাইয়ের স্ত্রী আনন্দী বেগম বলেন,শিক্ষক সুজন, মিজানের পঞ্চমশ্রেনিতে পড়–য়া ছেলেকে প্রাইভেট পড়াতো। সেখান থেকে মিজানেরসুন্দরী স্ত্রী মোর্শেদা বেগমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এনিয়ে বেশ কয়েকবার ঝমেলা হলে শিক্ষক সুজনকে প্রাইভেট পড়ানোথেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার মিজানের অনুপস্থিত নিশ্চিত হয়েরাতে ঘরের পিছনের বাগানের রাস্তা থেকে মোর্শেদা বেগমের সঙ্গে খারাপকাজে লিপ্ত হয়। বার বার বাড়ীর মান সম্মান নষ্ট হয় বিধায় তাদের বাড়ী ওএলাকার লোকজন শিক্ষক সুজনকে ধরে গনধোলাই দিয়েছে বলেজানিয়েছে মিজানের ছোট ভাইয়ের বউ আনন্দী বেগম। একই

এলাকারসোহেল,রহমান,সাগর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রতিবেদকের কাছেতথ্য দিয়েছেন। অনুঘটক মোর্শেদা বেগম বলেন ,ঘরের পিছনের দরজাখোলা ছিলো সেখান থেকে শিক্ষক সুজন এসেছে। এ কথা বলার পরেনিশ্চুপ থাকায় মোর্শেদা বেগমের কাছ থেকে আর কিছু জানা যায়নি।খোজ নিয়ে জানা গেছে ঘটনার পরের দিন সকালে স¦ামীর কাছে না বলেনিরুদ্দেশ হয়ে গেছেন। তার পিতা এহছাক আলীর বাড়ীতেও তাকে খোজকরে পাওয়া যায়নি। শিক্ষক সুজন জানিয়েছেন,তার বন্ধু মিজানেরছেলেকে প্রাইমারির গাইড বই দিতে গিয়েছি। কিছু মানুষ শত্রæতাকরে আমার গায়ে হাত তুলেছে। এ ব্যাপারে মোর্শেদা বেগমের স্বামীমিজানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, স্ত্রী অসামাজিক কাজ করায় মিজান এলাকাছেড়ে চলে গেছে তা আমরাও জানিনা। এয়ারপোর্ট থানার ওসিজানান,এ বিষয়ে রুস্তুম আলী তালুকদার শিশু কল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়েরপ্রতিষ্ঠাতা শহিদ তালুকদার জানান,যেহেতু শিক্ষক সুজন অন্যায় করেছেসেহেতু তাকে আর স্কুলে শিক্ষক হিসেবে রাখা যাবে না। কারন আমিঅন্যায়কারীকে আমার প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় দিবো না।

Top
%d bloggers like this: