শতভাগ আইন লঙ্ঘন তামাকপণ্য বিক্রয় কেন্দ্রের - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ও উদ্বেগ ... নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি

শতভাগ আইন লঙ্ঘন তামাকপণ্য বিক্রয় কেন্দ্রের


আলোকিত বার্তা:বাংলাদেশে তামাকপণ্য বিক্রি হয় এমন দোকানগুলোতে আইন অনুসারে তামাকের বিজ্ঞাপন,প্রচারণা ও প্রদর্শনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে না।তামাকজাত পণ্যের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিজ্ঞাপনে শতভাগ আইন লঙ্ঘন হচ্ছে বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে।সেখানে তামাকপণ্যের খালি মোড়ক সাজিয়ে আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলে এক জরিপে উঠে এসেছে।

দোকানগুলোতে আইন অনুসারে তামাকের বিজ্ঞাপন,প্রচারণা ও প্রদর্শনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে মেনে চলা হয় কিনা তা জানতে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এ জরিপ করে। ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস-সিটিএফকের কারিগরি সহযোগিতায় জরিপটি পরিচালনা করা হয়। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে আনুষ্ঠানিকভাবে জরিপের ফল তুলে ধরেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম অফিসার ডা. আহমাদ খায়রুল আবরার।জরিপে বলা হয়, দেশের কোনো তামাকপণ্যের দোকানেই আইন শতভাগ মেনে চলতে দেখা যায়নি। দেশে তামাক বিক্রি হয় এমন দোকানগুলোর ১৮ শতাংশে তামাকপণ্যের স্টিকার, ১৪ শতাংশ দোকানে পোস্টার, ৮ শতাংশে ব্র্যান্ডিং মার্ক, এক শতাংশ দোকানে ব্যানার দেখা গেছে। এসবের পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানে তামাকপণ্যের ব্র্যান্ড সংবলিত ডিসকাউন্ট কুপন, উপহার সামগ্রী, দোকানির গেঞ্জি ছিল, যা তামাকপণ্যের পরোক্ষ বিজ্ঞাপন।

তাছাড়া আজকাল অনেক দোকানেই‘এখানে ন্যায্যমূল্যে সিগারেট পাওয়া যায়’ এমন স্টিকার ও বিভিন্ন ব্যান্ডের সিগারেটের দাম লিখে প্রদর্শন করতে দেখা যায়। এটাও এক ধরনের বিজ্ঞাপন, যা আইন অনুসারে নিষিদ্ধ।জরিপ প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আইনে তামাকপণ্যের সব ধরনের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হলেও দোকানিরা কোম্পানিগুলোর ফাঁদে পড়ে বুঝে না বুঝেই এসবের বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। তাই তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা বন্ধে কঠোর আইনের প্রয়োগ এবং আইন লঙ্ঘনের জন্যে দোকানিদের পাশাপাশি কোম্পানিগুলোকেও শাস্তির আওতায় আনতে বর্তমান আইনের সংশোধন প্রয়োজন।

Top